জাপানের একটি জনহীন রেলওয়ে স্টেশন শুধুমাত্র এক ছাত্রীর জন্য এখনও চালু রয়েছে। যাতে সে ঠিক সময়ে স্কুলে পৌঁছতে পারে। জায়গাটি জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের একদম উত্তর প্রান্তের কামি শিরাতাকি স্টেশন।নিতান্তই অজ পাড়া-গাঁ বলতে যা বোঝায় অনেকটা তাই কামি শিরাতাকি স্টেশন। যাতায়াতের জন্য অন্যান্য মাধ্যম থাকায় রেলপথে কেউই খুব একটা কোথাও যাওয়া-আসা করেন না। এ কারণেই রেল দপ্তর ওই স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। কিন্তু পরিদর্শকরা তখন লক্ষ করেন, একটি মেয়ে সারা বছর ট্রেন ধরে স্কুলে যাতায়াত করে। ট্রেন না চললে তাঁর স্কুলে পৌঁছতে খুবই কষ্ট হবে। তাই ওই ছাত্রীর জন্যই একটি গোটা স্টেশন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।শুধু তাই নয়, মেয়েটি যাতে সঠিক সময়ে স্কুলে পৌঁছতে পারে তার জন্য ট্রেনের টাইমও পাল্টে দেওয়া হয়। সারাদিনে ওই একটি ট্রেন তাঁকে স্কুলে পৌঁছে দেয় এবং বিকেলে তাঁকে ফের ওই জনহীন স্টেশনে নামিয়ে দিয়ে যায়। রেল দপ্তর এমনটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যত দিন না মেয়েটি স্নাতক হচ্ছে, তত দিন এই ট্রেন পরিষেবা চালু রাখা হবে।
Sunday, January 10, 2016
Tuesday, January 5, 2016
বিয়ের বয়স ৩৪, প্রেগন্যান্ট ২৮ বার!
১৯৮১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর এক বছর না যেতেই জন্ম দেন প্রথম সন্তানের। এরপর টানা ৩৪ বছরে গর্ভে সন্তান এসেছে ২৮ বার। ৭ বার অকাল গর্ভপাত ছাড়া ২১ সন্তান প্রসব করেছেন তুর্কি নারী রাজিয়ে গুনগোর। এর মধ্যে অসুস্থতায় মারাও গেছে ৪ জন। তুরস্কের গাজিআন্তেপ জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের খবর এটি। আব্দুল কাদির (৫৫) ও রাজিয়ে গুনগোর (৫১) জুটির দুনিয়া আলোড়িত করা এই সংখ্যায় ঘাবড়ে যায় প্রতিবছর নতুন করে জরিপে আসা স্থানীয় আদমশুমারি কর্তৃপক্ষও। এমনকি সর্বশেষ সন্তানের নিবন্ধন করার জন্য শুমারি খাতার ছক পাল্টাতে হয়েছে তাদের।
নিবন্ধন তালিকার জন্য বরাদ্দ দেয়া জায়গা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে ছক কেটে নাম লেখা হয়েছে। বর্তমানে ১৭ সন্তান ও ২৪ নাতি-নাতনিসহ ছেলের বউ কিংবা মেয়ের জামাই মিলে তাদের এই প্রজন্মই ৫১ জনের একটি বড় গোত্র তৈরি করেছে গ্রামটিতে। ৯ ছেলে আর ৮ মেয়ের বাবা-মা হিসেবে কোন আক্ষেপ নয়, বরং গর্ব করেন এই দম্পতি। ৩৩ থেকে ১ বছরের ব্যবধানের ১৭ ভাই বোনের মাঝে বিয়ে হয়েছে ৮ জনের। সবাইকে নিয়ে সুখেই আছেন আব্দুল কাদির। নিজের আর পরিবারের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়াও চেয়েছেন তিনি।
বন্ধুত্ব বাঘে-ছাগলে !
বাঘের সামনে ছাগল পড়লে রক্ষা নেই এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি বিপরীত চরিত্রের এই দুই প্রজাতির প্রাণী্ একসঙ্গে ঘুমায়, একসঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তাহলে বিশ্বাস করা কঠিনই বটে। অথচ এমনই এমনই এক ঘটনা ঘটেছে রাশিয়ার একটি চিড়িয়াখানায়।বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাস খানেক আগে রাশিয়ার একটি সাফারি পার্কে আমুর নামের একটি বাঘকে খাবার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল একটি জ্যান্ত ছাগল। কিন্তু তিমুর নামের ছাগলকে না খেয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব পেতে বসেছে বাঘটি। এমনকি বন্ধু ছাগলের জন্য নিজের ঘুমানোর জায়গাটিও ছেড়ে দিয়েছে বাঘ আমুর।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এখন এই বাঘ ও ছাগলকে একসঙ্গেই রাখছে।চিড়িয়াখানায় আসা দর্শনার্থীদের অনেকে হিংস্র পশু বাঘ আর নিরীহ ছাগলের বন্ধুত্বের ভক্ত হয়ে গেছেন অনেকে। ওয়েবক্যামের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা সরাসরি দেখছে এই বিরল বন্ধুত্বের দৈনিক কর্মকাণ্ড।এই দুই পশুর নামে ফেইসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে খোলা হয়েছে অ্যাকাউন্ট।
ওই চিড়িয়াখানার পরিচালক দিমিত্রি মেজেনস্তেভ জানান, প্রায় তিন বছর ধরে বাঘ আমুর এই চিড়িয়াখানায় আছে। সপ্তাহে দুই দিন তাকে ছাগল খেতে দিতে হতো। তিনি বলেন, “আমরা একদিন আমুরকে খেতে দিই ওই ছাগলটি। কিন্তু চার দিন পর দেখি বাঘটি তিমুরকে খায়নি। এটা খুবই বিস্ময়কর একটা ঘটনা।”এখন চিড়িখানা কর্তৃপক্ষ এই দুই বন্ধুকে আলাদা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান পরিচালক দিমিত্রি মেজেনস্তেভ।
জমজ হয়েও ভিন্ন সাল-তারিখে জন্ম
শিশু দুটি জমজ। কিন্তু এদের এক জনের জন্ম ২০১৫ সালে, আরেক জনের ২০১৬ সালে। তাদের জন্ম তারিখও আলাদা। মজার এই ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়াগোর কাইজার পার্মানেন্তে জিওন মেডিক্যাল সেন্টারে।সান দিয়াগোর বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী ম্যারিবেল ভ্যালেন্সিয়া প্রসব বেদনা নিয়ে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর হাসপাতালটিতে ভর্তি হন। ওইদিনই রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে জন্ম হয় প্রথম মেয়ে শিশুটির। এর কয়েক মিনিট পর যখন ছেলে শিশুটি পৃথিবীতে আসে, তখন দিন-তারিখ-সাল সবই পাল্টে গেছে; হয়ে গেছে ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি। এভাবে জমজ জন্ম নেওয়া দুটি শিশুর জন্মদিন ও জন্ম মাস ভিন্ন রকম হয়ে যায়।বর্তমানে দুটি শিশুই সুস্থ রয়েছে। জন্মের সময় মেয়ে শিশুটির ওজন ছিল চার পাউন্ড ১৫ আউন্স, তার নাম রাখা হয় জেইলিন। ছেলে শিশু লুইসের ওজন ছিল পাঁচ পাউন্ড নয় আউন্স।ভিন্ন সাল-তারিখে জন্ম নেওয়া জমজের জন্য মা ভ্যালেন্সিয়া ও বাবা সিনিয়র লুইস এবং জমজের বড় বোন তিন বছর বয়সী ইসাবেলা খুবই আনন্দিত। তাদের আনন্দের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে, এদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে। ভ্যালেন্সিয়া কেজিটিভিকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, একজন মেয়ে ও একজন ছেলে- জমজ এই দুই সন্তান নতুন বছরে আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
Monday, January 4, 2016
পৃথিবী থেকে মুছে যাচ্ছে একটা দেশ
দেশটার নাম তুভালু। ওশিয়ানিয়া মহাদেশে অস্ট্রেলিয়া আর হাওয়াইয়ের মাঝে ছোট্ট একটা দ্বীপপুঞ্জের দেশ। বিশ্বের চতুর্থ ক্ষুদ্রতম এই দেশে বাস করেন ১০ হাজার মানুষ। খুব শীঘ্রই ভুগোলের পাতা থেকে মুছে ইতিহাস বইতে স্থান করে নিতে চলেছে তুভালু। কারণ সমুদ্রস্তর বৃদ্ধির জন্য জলের তলায় তলিয়ে যেতে চলেছে এই দেশ। দেশ বাঁচাতে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নসের কাছে ছুটেছেন তুভালর প্রধানমন্ত্রী। আর্জি একটাই, আবেদন একটাই আমাদের বাঁচাও। কিন্তু কীভাবে বাঁচানো যাবে তুভালুকে?বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ফলে সমুদ্রস্তরে বৃদ্ধি এমন হারে হচ্ছে যাতে তুভালুর অস্তিত্ব এখন বড়জোর কয়েকটা বছর, তারপর জলের তলায় মিলিয়ে যাবে এই দেশ। তখন তুভালুর নাগরিকদের পালিয়ে যেতে হবে অন্য কোথাও। তাহলে উপায়! তুভালুর প্রধানমন্ত্রী ইনেলে স্পোয়াগা ইউ-নেতাদের কাছে আবেদন করেছেন ডিসেম্বরে হতে পরিবেশ সম্মেলনে তাঁরা যেন বিশ্বের চতুর্থ ক্ষুদ্রতম দেশকে বাঁচাতে উদ্যোগী হন। তাহলে কী করতে হবে?সেক্ষেত্রে ইউরোপকে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ 1.5C এ নামিয়ে আনতে হবে। সেখানে ইউরোপীয় দেশগুলির লক্ষ্য গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ 2C এ নামিয়ে আনা।
সিংহের সমুদ্রে ঝাঁপ
জঙ্গলের ডেরা ছেড়ে জনপদে এসে ভড়কে গেল সিংহ। এমনিতে মানুষ সিংহকে ভয় পায়। কিন্তু ভারতের গুজরাতের আমরেলিতে মানুষ দেখে ভয় পেয়ে গেল জঙ্গলের রাজা। জাফরাবাদে জনপদে ঢুকে পড়েছিল ওই সিংহ। তাকে দেখতে জমে যায় প্রচুর ভিড়। আর অত মানুষ দেখেই ঘাবড়ে গিয়ে সমুদ্রে ঝাঁপ দেয় সিংহ। কলকাতার সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দ এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানিয়েছে।প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সমুদ্রে সিংহটি সাঁতার কাটতে থাকে। কিন্তু তার এই খেয়ালে বিপাকে পড়ে বন দফতর। সমুদ্র থেকে সিংহটিকে উঠিয়ে আনতে জেরবার হতে হয় বন বিভাগের কর্মীদের। প্রায় চার ঘন্টা ধরে চলে উদ্ধার অভিযান।
সে কখনও একটু পিছন ফিরে দেখে, আবার কখনও সাঁতারের মজায় মেতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ঘুমপাড়ানি গুলি করে সমুদ্রেই তাকে বেহুঁশ করে দড়ি দিয়ে টেনে পাড়ে নিয়ে আশা হয়।প্রতিবেদন থেকে আরো জানা যায়, সৌরাষ্ট্রের বিভিন্ন জনপদে এর আগেও সিংহ ঢুকে পড়ার খবর জানা গেছে। কিন্তু এই প্রথম কোনও সিংহকে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখা গেছে।
মৃত্যু যে শহরে দণ্ডণীয় অপরাধ.....
ইতালির একটি ছোট শহর, নাম সেল্লিয়া, পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এই ছোট শহরটিতে মৃত্যু হলো একটি বড় অপরাধ। সেল্লিয়ার জনসংখ্যা ৫৩৭। অথচ ১৯৬০ সালে সেখানে জনসংখ্যা ছিল ১৩০০। শহরটির বেশিরভাগ মানুষের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি। খবর রয়টার্স। সেল্লিয়ায় একটি নতুন আইন কার্যকর করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সুস্থ থাকা শুধুমাত্রই স্বাস্থ্যকর অনুশীলনের ব্যাপার নয়। মৃত্যু হবে স্বাভাবিক, অসুস্থ হয়ে মৃত্যু যেন কোনোভাবেই যেন না হয়। অসুস্থতা যাতে কোনোভাবেই কাউকে গ্রাস করতে না পারে তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।
এই আইনের প্রবর্তনকারী শহরের মেয়র ডেভিড জিকিনেল্লা। তিনি বলেছেন, 'শহরবাসীদের ক্ষেত্রে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া একটা দণ্ডনীয় অপরাধ।' শহরবাসীরা যাতে সুস্থ স্বাভাবিক থাকেন তার জন্যই তিনি এই আইন প্রণয়ন করেছেন। যারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে থাকেন তাদের কাছ থেকে ১০ ইউরো করে স্বাস্থ্য ট্যাক্স নেওয়া হয়। আর যারা অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান না তাদের কাছ থেকে বেশি ট্যাক্স নেয়া হয়ে থাকে। মেয়র আরও জানান, 'ট্যাক্স নেওয়ার পর থেকেই ভিড় জমে গেছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে।তবে শুধু সেল্লিয়ায় নয়, পৃথিবীতে আরও অনেক দেশ আছে যেখানে মৃত্যুকে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়। এর আগে ফ্রান্স, ব্রাজিল, জাপান এবং স্পেনের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন কারণের জন্য মৃত্যুকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এছাড়া খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রিসে কোনো ধর্মীয় স্থানে মৃত্যুকে অপরাধের সমান বলে ধরা হয়েছিল।
Subscribe to:
Posts (Atom)







