মজাদার নানা ধরণের খাবারের স্বাদ নেওয়ার জন্য ভোজন রসিকরা নানা ধরণের রেস্টুরেন্টে ঘুরে বেড়ান। একটি রেস্টুরেন্ট ভাল কি মন্দ তা কি শুধু খাবারের স্বাদের উপর নির্ভর করে? খাবারের স্বাদের সাথে এর পরিবেশ, রেস্টুরেন্টের কর্মীদের ব্যবহার আরও অনেক কিছু নির্ভর। বিশ্বজুড়ে নানা রকম অদ্ভুত রেস্টুরেন্টের দেখা পাওয়া যায়। পৃথিবীতে এমন কিছু রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে খাবার খাওয়ার সাথে সাথে আপনি পাবেন মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ। এমনি কিছু ভাসমান রেস্টুরেন্টের সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব।
১। Kettuvallams
ভারতের কেরালা রাজ্য কালো পানির জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। এই কালো পানির মাঝে ভাসমান কেরালার Kettuvallams রেস্টুরেন্টটি।
২। Sea Palace
ইউরোপের প্রথম ভাসমান রেস্টুরেন্ট সি প্যালেস। আর্মস্টার্ডামের সেন্ট্রাল স্টেশনের কাছে অবস্থিত এই রেস্টুরেণ্টটি। রাতের বেলায় এর চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা মুগ্ধ করে খেতে আসা গ্রাহকদের। এতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের খাবার রয়েছে।
৩। Plastic Dining Room
বিশ্বের প্রথম রেস্টুরেন্ট এটি যেটি ১৬৭২ প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে তৈরি হয়েছে। এখানে ১২ জন মানুষ একসাথে বসতে পারে। ছোট হলেও এই অদ্ভুত সুন্দর রেস্টুরেন্টটি কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের অবস্থিত।
৪। Cloud9
বিশ্ব সেরা ভাসমান রেস্টুরেন্টগুলোর মধ্যে ফিজিতে অবস্থিত ক্লাউড9 অন্যতম। এই রেস্টুরেন্টে নির্দিষ্ট কোন খাবারের মেন্যু নেই। আপনি যখন যাবেন সেই মুহূর্তে যে পিজ্জাটি তৈরি হবে সেটি হবে সেদিনের খাবার। ১০০ জন লোকের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এই রেস্টুরেন্টের। পিজ্জা খেতে পছন্দ করলে ঘুরে আসতে পারেন এই ক্লাউড9 থেকে।
৫। Rustar Dhow
দুবাইয়ের বড় এবং বিলাশবহুল রেস্টুরেন্টের মধ্যে রুসটার ডো অন্যতম। এই বিলাসবহুল ইয়টের ডেকে ৪০০ লোক ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। বিশ্ব বিখ্যাত বেশ কিছু ব্র্যান্ডের খাবারের দোকান এখানে দেখতে পাবেন।
Wednesday, May 11, 2016
Saturday, May 7, 2016
দুই বোনের এক মাথা
ইন্দোনেশিয়ার এক হাসপাতালে একসঙ্গেই জন্মেছিল তিন জন। তিন বোন। স্বাভাবিক ভাবে এই ট্রিপলেটের জন্ম হলেও, জন্মের পর এদের দেখে অবাক হয়ে যান ডাক্তাররা। একজন আলাদা আর বাকি দু'জন একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। শরীর দুটো আলাদা হলেও মাথা একটা, মাথার ভেতরে রয়েছে একটাই খুলি।মাথা একটা হলেও দু'জনের ব্রেন আলাদা। তাই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন শিশু দুটিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করে দিলে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে। বাবা-মা এখন তাই অস্ত্রোপচার করানোর জন্য ব্যকুল হয়ে পড়েছেন। কিন্তু শিশু দুটি সুস্থ হলেও ওদের ওজন খুব কম। সঠিক ওজন না হলে অস্ত্রোপচার সম্ভব নয়। অন্তত ছয় থেকে আট বয়স না হলে ওদের অস্ত্রোপচার করা যাবে না। অস্ত্রোপচারে রয়েছে বিপদের সম্ভাবনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ধরণের অস্ত্রোপচারে দু'জনকেই বাঁচানো সম্ভব হয় না।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই ধরণের যমজ খুব কম দেখা যায়।
২ লক্ষ শিশুর জন্মে এমন একটা কেস দেখা যায়। এই যুক্ত শিশুদের ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ মৃত জন্মায়। যারা বেঁচে থাকে তাদের ৩৫ শতাংশ একদিনের বেশি বাঁচে না। কিন্তু শিশু দুটির ক্ষেত্রে ব্রেন আলাদা হওয়ায় তারা এখনো সুস্থ। বাবা-মা তাদেরকে আলাদা করে সুস্থ জীবনে দেখার জন্য দিন গুনছেন।
Tuesday, May 3, 2016
৩১টি হাত-পায়ের আঙুল
গুনে গুনে হাতে-পায়ে ৩১ আঙুল! প্রি-ন্যাটাল স্ক্যানে যদিও এমন কোনও অস্বাভাবিকতার আভাস ছিল না। যে কারণে সন্তানের জন্মের পর বিস্ময়ের মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যায় চীনা দম্পতির।চীনের হুনান প্রদেশের এই দম্পতির একমাত্র ছেলের বয়স এখন তিন মাস। মা-বাবা আদরের হংহং-এর দু-হাতেই রয়েছে ১৫টি আঙুল। পায়ে আরও ১৬। সব মিলিয়ে ৩১ আঙুলের অধিকারী সে। আঙুলের সঙ্গে ভারসাম্য রাখতে, দুটি করে তালু দু-হাতে। এমন ভাবে জুড়েছে, নেই একটিও বুড়ো আঙুল।হংহং-এর বাবা-মা চান হাতে-পায়ে অস্ত্রোপচার করিয়ে, সন্তানকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেবেন। হুনানের স্থানীয় হাসপাতালের ডাক্তারের সঙ্গে এ নিয়ে কথাও বলেছেন। তবে, এখনও আশাব্যঞ্জক কিছু শোনাতে পারেননি ডাক্তাররা। সদ্যোজাত শিশুর পলিড্যাক্টিলি (নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশি আঙুল) বিরল নয়। তবে, হংহংয়ের ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে, তা অস্ত্রোপচার করে স্বাভাবিকে ফিরিয়ে দেওয়াটা চাপের বলেই মনে হচ্ছে ডাক্তারদের।
Sunday, May 1, 2016
ভাই-বোনের বিয়ে হয় যে বঙ্গে
সভ্যতার ঊষালগ্নে মানুষের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য ছিল না। না ছিল শ্রেণি বৈষম্য না ধন বৈষম্য না লিঙ্গ বৈষম্য। সেই ব্যবস্থাকে বলা হত আদিম সাম্যবাদী সমাজ ব্যবস্থা। তারও আগে এই ভারতভূমে যে পরিবার ব্যবস্থা বা যৌথ ব্যবস্থা চোখে পড়ে সেখানে নারী-পুরুষের কিংবা রক্তের সম্পর্কের মধ্যে বাড়তি কোনো স্পর্শকাতরতা ছিল না। ভাইয়ের সাথে বোনের অথবা বর্তমানে কল্পনাই করা যায় না এমন সম্পর্কের মানুষদের মধ্যেও শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠতো অনায়াসে। পারস্পরিক আবেদনে সাড়া দেয়া ছিল তখন প্রকৃতিগত অকৃত্রিম ব্যাপার। কিন্তু আজকের দুনিয়ায় যান্ত্রিকতা, কৃত্রিমতা মানুষকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরলেও মায়ের পেটের বোনের সঙ্গে বিয়ে করার কথা কেউ ভাবতেই পারেন না। সেটা না পারাই তো স্বাভাবিক। আদিম যৌথ জীবন থেকে অগ্রসরমানতার পথে প্রয়োজনের তাগিদে ক্রমশই মানুষের মধ্যে ব্যক্তিতান্ত্রিকতা বিস্তার লাভ করে। তার পর ধীরে ধীরে ভারী হয়ে আসে বিভেদ আর বৈষম্যের আকাশ। তবে কম অংশে হলেও আজও কেউ কেউ অতীতকে আঁকড়ে রাখতে চায়। শিক্ষার হার কম থাকায় এখনো বিশ্বের কোথাও কোথাও চোখে পড়ে যুথবদ্ধ সমাজব্যবস্থা। সেই সমাজে হয়তো এখনো ভাই-বোনের মধ্যে বিয়ে কিংবা শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বাধাবন্ধহীনভাবে। আমাদের তথাকথিত আধুনিক সমাজে মায়ের পেটের না হলেও ভাই-বোনের মধ্যে বিয়ের বিষয়টি প্রায়শই দেখা যায়। কিন্তু এ কেমন বিবাহ ব্যবস্থা! যেখানে খুড়তুতো, পিসতুতো, মাসতুতো, মামাতুতো এ রকম তুতো বোনকেই বিয়ে করেন যুবকরা। অবশ্য বিয়ের আগে অবশ্য এক বছর সংসার করতে হয়। আর তারপর পছন্দ না হলে বোনকে ছেড়েও দেয়া যায়। আর এই একবছর সহবাসের ফলে যদি সন্তানের জন্ম হয়েও যায়, তাহলেও বোনকে ছাড়া যায়। তবে নিয়ম মাফিক ভাইকে করতে হয় প্রায়শ্চিত্ত। এ আজব নিয়ম এখনো ঠিকে আছে টোটো নামে ভারতের এক জনজাতির মধ্যে।
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো জনজাতি টোটো। তাদের মধ্যেই এই বিয়ের প্রাচীন নিয়ম বর্তমান আজও। তবে টোটোদের জনসংখ্যা কমতে কমতে এখন তলানিতে। বর্তমানে টোটোদের জনসংখ্যা ১,৫৭৪। তার মধ্যে পুরুষ ৮১৯ জন ও মহিলা ৭৫৫ জন।অবিভক্ত জলপাইগুড়ি জেলার মাদারিহাট ব্লকের টোটোপাড়ায় এই টোটো জনজাতির বাস। টোটোদের মধ্যে শিক্ষিতের হার কম। সেজন্যই নাকি তাদের মধ্যে প্রাচীন এই প্রথা চলে আসছে আজও। নিয়ম অনুযায়ী, পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন মেয়েকেই বিয়ে করতে হয় যুবকদের।কেমন সেই বিয়ের নিয়ম? কোনও টোটো যুবক রাতের অন্ধকারে তার আত্মীয় অর্থাৎ মামার মেয়ে বা পিসির মেয়েকে পালিয়ে নিয়ে চলে আসেন নিজের ঘরে। তারপর মেয়েটির অর্থাৎ তুতো বোনের বাড়িতে খবর দেয়া হয়, তাদের মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছেন ওই যুবক। এক বছর মেয়েটির সঙ্গে ঘর করার পর যদি যুবকের মেয়েটিকে পছন্দ না হয় কিংবা এক বছর সংসার করার পর যদি মেয়েটির সন্তান হয়, তাহলেও মেয়েটিকে ছেড়ে দিতে পারেন ওই যুবক। এরপর মেয়েটিকে ফের বাপের বাড়ি চলে যেতে হবে। আর যুবককে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয় পশুবলি দিয়ে।সম্প্রতি সুজন টোটো তার মামাতো বোন গোপী টোটোকে মামারবাড়ি থেকে পালিয়ে নিয়ে চলে এসেছেন। একবছর সংসার করার পর গোপীকে বিয়ে করেছেন সুজন। কিন্তু কেন? অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, টোটোদের মধ্যে শিক্ষিতের হার কম। সেই কারণে প্রাচীন নিয়ম চলে আসছে আজও।তবে টোটো কল্যাণ সমিতির প্রধান গোকুল টোটো বলেন, ‘ইদানিং ছবিটা বদলাচ্ছে। যারা লেখাপড়া শিখছেন তাদের অনেকেই এখন এ রীতি মানছেন না। ভিন জাতিতে বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে।’
Saturday, April 30, 2016
দুনিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক গাছ
একটা গাছের বয়স সর্বোচ্চ কত হতে পারে, আন্দাজ করতে পারেন? বড়জোর ৫০০ বছর। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট মাউন্টেস-এ এমন একটা গাছ আছে যার বয়সের কথা শুনলে আঁতকে উঠতে পারেন। কত বছর সেটা পরে বলি, তার আগে বলে নেই গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Pinus longaeva । গ্রেট বেসিন বিসলকোন পাইন জাতের এই গাছটার নাম রাখা হয়েছে মেথুলাস। মেথুলাস হলো বাইবেলে বর্ণিত সবচেয়ে বয়স্ক চরিত্রটির নাম। বাইবেলের মেথূলাসের বয়স ছিল ৯৬৯ বছর। কিন্তু বৃক্ষ মেথুলাসের বয়স তারচেয়ে অনেক অনেক বেশি। বিজ্ঞানীরা হিসেব করে দেখেছেন মেথুলাসের জন্ম যিশুখৃস্টের জন্মেরও ২৮৩২ বছর আগে। অর্থাৎ পিরামিড তৈরিরও আগে! তাহলে গাছটার বর্তমান বয়স ৪৮৪৪ বছর।
Wednesday, April 27, 2016
সমুদ্রের নিচে বিস্ময়কর বাড়ি
দ্য ওয়াটার ডিসকাস হোটেল : মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ে অবস্থিত এই হোটেলটির ডিজাইন স্বতন্ত্র। সমুদ্রের নিচে এই হোটেলে অবস্থান করে খুব কাছ থেকে দেখা যায় সমুদ্রের নিচের প্রাণীদের জীবন। তবে প্রাণীদের দেখতে আপনাকে পানিতে ভিজতে হবে না। ভবিষ্যতের বাড়ির ডিজাইনগুলোর মধ্যে এই বাড়িটি অন্যতম। ২০১২ সালে এই বাড়ি বানানোর ঘোষণা দেয়া হয়। গত বছর এই হোটেলটি সম্পন্ন হয়। এই হোটেলটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
পৃথিবীর প্রথম পানির নিচের গ্রীণহাউজ : পৃথিবীতে অনেক গ্রীনহাউজ প্রকল্প রয়েছে তবে এর বেশিরভাগই মাটির ওপরে। ইটালির এই গ্রীণ হাউজটি পানির নিচে অবস্থিত। ওশান রিফ গ্রুপ এ ধরনের পাঁচটি ডুবন্ত জৈবমন্ডল বানিয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই গ্রীণহাউজ ২০ ফুট নিচে অবস্থিত। যেসব এলাকার মাটিতে সারের পরিমাণ কম, সেসব এলাকায় কিভাবে ফসল উৎপাদন করা যায় তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ পানির নিচের এই গ্রীণ হাউজ।
প্লানেট ওশান আন্ডারওয়্যাটার হোটেল : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে এই হোটেলটি অবস্থিত। প্রবাল দ্বীপ রক্ষা করার স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে বানানো এই হোটেলটি স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম। এতে ১২টি গেস্টরুম রয়েছে এবং ডাইনিংরুম রয়েছে। হোটেলের লবিও রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮ ফিট নিচে এই হোটেলটি অবস্থিত। এলিভেটরের সাহায্যে গ্রাহকদের সমুদ্রের ওপর থেকে নিচে নিয়ে আসা হয়। এই হোটেলে থাকতে গেলে প্রতিরাতে গুণতে হবে ৩ হাজার ডলার।
পৃথিবীর বৃহৎ আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্ট : সমুদ্রের নিচে বসে দুপুর বা রাতের খাবার খাচ্ছেন। পাশেই ঘুরে বেড়াচ্ছে হরেক রকমের মাছ। এমনটা আর ভাবনাতে নেই। মালদ্বীপের হুরাওয়ালহি আইল্যান্ড রেস্তোঁরায় বাস্তবে আপনি এ ধরনের আতিথীয়েতার সুযোগ নিতে পারবেন। এই রেস্তোঁরার দেয়ালগুলো বানানো হয়েছে স্বচ্ছ কাঁচ দিয়ে। নতুন হওয়া এই রেস্টুরেন্টে একসাথে ৩০ জন বসে খাবার গ্রহণ করতে পারে।
ভাসমান সি হর্স রিট্রেটস : দুবাইয়ে অবস্থিত নির্মানাধীন এই থাকার হোটেলটি সমুদ্রের নিচের স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই হোটেলের রুমের জানালা থেকে যে কোন সময় আপনি উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের নিচের সৌন্দর্য্য। এই হোটেলের নির্মাতা ক্লেইনডাইনেস্ট গ্রুপ দাবি করছেন, হোটেলটি শুধু মানুষের বিনোদনের জন্য নয়, স্থানীয় সমুদ্রের প্রাণীদের জন্যও উপকারি। এতে দড়ি দিয়ে আলাদা একটি অঞ্চল বানানো হয়েছে যেখানে ডুবুরীরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারবে। ৪২ ইউনিটের এই হোটেলটি শিগগিরই তাদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করবে। এতে খরচ হয়েছে ১৮ কোটি ডলার।
মান্টা রিসোর্টস আন্ডারওয়্যাটার রুম : তানজেনিয়ার পেম্বা আইল্যান্ডে অবস্থিত পানির নিচের এই কক্ষটি বেশ আকর্ষণীয়। আফ্রিকাতে এটি প্রথম পানির নিচে থাকার ব্যবস্থা। সুইডেনের জেনবার্গ প্রতিষ্ঠান এই বাড়ির ডিজাইন করে। এই হোটেলে থাকলে আপনি যে কোন ডুবোজাহাজে থাকার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। প্রতিরাতে এই হোটেলে থাকতে খরচ হবে ১ হাজার ২০০ ডলার।
পৃথিবীর প্রথম পানির নিচের গ্রীণহাউজ : পৃথিবীতে অনেক গ্রীনহাউজ প্রকল্প রয়েছে তবে এর বেশিরভাগই মাটির ওপরে। ইটালির এই গ্রীণ হাউজটি পানির নিচে অবস্থিত। ওশান রিফ গ্রুপ এ ধরনের পাঁচটি ডুবন্ত জৈবমন্ডল বানিয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই গ্রীণহাউজ ২০ ফুট নিচে অবস্থিত। যেসব এলাকার মাটিতে সারের পরিমাণ কম, সেসব এলাকায় কিভাবে ফসল উৎপাদন করা যায় তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ পানির নিচের এই গ্রীণ হাউজ।
প্লানেট ওশান আন্ডারওয়্যাটার হোটেল : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে এই হোটেলটি অবস্থিত। প্রবাল দ্বীপ রক্ষা করার স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে বানানো এই হোটেলটি স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম। এতে ১২টি গেস্টরুম রয়েছে এবং ডাইনিংরুম রয়েছে। হোটেলের লবিও রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮ ফিট নিচে এই হোটেলটি অবস্থিত। এলিভেটরের সাহায্যে গ্রাহকদের সমুদ্রের ওপর থেকে নিচে নিয়ে আসা হয়। এই হোটেলে থাকতে গেলে প্রতিরাতে গুণতে হবে ৩ হাজার ডলার।
পৃথিবীর বৃহৎ আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্ট : সমুদ্রের নিচে বসে দুপুর বা রাতের খাবার খাচ্ছেন। পাশেই ঘুরে বেড়াচ্ছে হরেক রকমের মাছ। এমনটা আর ভাবনাতে নেই। মালদ্বীপের হুরাওয়ালহি আইল্যান্ড রেস্তোঁরায় বাস্তবে আপনি এ ধরনের আতিথীয়েতার সুযোগ নিতে পারবেন। এই রেস্তোঁরার দেয়ালগুলো বানানো হয়েছে স্বচ্ছ কাঁচ দিয়ে। নতুন হওয়া এই রেস্টুরেন্টে একসাথে ৩০ জন বসে খাবার গ্রহণ করতে পারে।
ভাসমান সি হর্স রিট্রেটস : দুবাইয়ে অবস্থিত নির্মানাধীন এই থাকার হোটেলটি সমুদ্রের নিচের স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই হোটেলের রুমের জানালা থেকে যে কোন সময় আপনি উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের নিচের সৌন্দর্য্য। এই হোটেলের নির্মাতা ক্লেইনডাইনেস্ট গ্রুপ দাবি করছেন, হোটেলটি শুধু মানুষের বিনোদনের জন্য নয়, স্থানীয় সমুদ্রের প্রাণীদের জন্যও উপকারি। এতে দড়ি দিয়ে আলাদা একটি অঞ্চল বানানো হয়েছে যেখানে ডুবুরীরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারবে। ৪২ ইউনিটের এই হোটেলটি শিগগিরই তাদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করবে। এতে খরচ হয়েছে ১৮ কোটি ডলার।
মান্টা রিসোর্টস আন্ডারওয়্যাটার রুম : তানজেনিয়ার পেম্বা আইল্যান্ডে অবস্থিত পানির নিচের এই কক্ষটি বেশ আকর্ষণীয়। আফ্রিকাতে এটি প্রথম পানির নিচে থাকার ব্যবস্থা। সুইডেনের জেনবার্গ প্রতিষ্ঠান এই বাড়ির ডিজাইন করে। এই হোটেলে থাকলে আপনি যে কোন ডুবোজাহাজে থাকার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। প্রতিরাতে এই হোটেলে থাকতে খরচ হবে ১ হাজার ২০০ ডলার।
শুধু একজন মানুষই বাস করেন যে গ্রামে
এক গ্রামে থাকেন এক ব্যক্তি। তার সাথে থাকে একপাল ভেড়া। আশপাশে তো দূরের কথা, গোটা গ্রামেই আর কোন মানুষ থাকে না। টানা ১০ বছর ধরে গ্রামটিতে বাস করছেন ওই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের জুয়েনসানসে গ্রামে। গত ১০ বছর ধরে লিউ সেনজিয়া নামের এক ব্যক্তি একাই বাস করেন সেখানে। কোন এক কারণে ওই গ্রামটি ধীরে ধীরে লোকশূন্য হয়ে পড়ে। ২০০৬ কি ২০০৭ সালে লিউর মা এবং ভাইও মারা যান। তখন থেকে গ্রামে একেবারে একা বসবাস করছেন তিনি। একাকীত্ব আর পারিপার্শ্বিকতার সাথে লড়াই করতে করতে একসময় টিকে থাকাটা ভালোভাবেই শিখে নিলেন লিউ। রাতে কুকুরের ডাকে ভয় পেতেন বলে ভেড়া পালতে শুরু করেন। আর তখন থেকে তার সঙ্গী হয় একপাল ভেড়া। স্থানীয় বনবিভাগে বন পরিদর্শক হিসেবে কাজ করেন লিউ। পারিশ্রমিক ১০৭ ডলার। খাবার এবং পানীয় জলের তাকে অনেক দূরে যেতে হয়। কিন্তু এত কষ্টের পরও লিউ গ্রাম ছেড়ে চলে যান না। কারণ গ্রামটির প্রতি তার মায়া পড়ে গেছে। বাকি জীবনটাও হয়তো এভাবেই কাটিয়ে দেবেন জুয়েনসানসে গ্রামের একমাত্র অধিবাসী লিউ।
Subscribe to:
Posts (Atom)

















