আজব পৃথিবী

Monday, January 16, 2017

এক গ্রামে ৬০ রানি

ভারতের একটি রাজ্য নাগাল্যান্ডের লৌঙ্গা অঞ্চলের রাজার নাম অঙ্গ নগোবাঙ্গ। সবমিলিয়ে ৭৫টি গ্রাম নিয়ে তার রাজত্ব। সেই রাজার রানির সংখ্যা কিন্তু ৬০ জন। শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্য। পাহাড়ে ঢাকা এই অঞ্চলে সাজানো পরিপাটি কয়েকটি বাড়ি রয়েছে। এখানে বাস করে কোন্যাক উপজাতি। তাদের রাজপরিবারটি খুব ছোট নয়। রাজপরিবারে রানির সংখ্যাই তো ৬০ জন। এখানকার এক রাজপুত্র রয়েছেন আবার মিয়ানমার সেনাবাহিনীতে। তবে এ অঞ্চলের জনসংখ্যা খুব বেশি নয়। এর অর্ধেক ভারতের, অর্ধেক মিয়ানমারের অংশ।
এ অঞ্চলের বাসিন্দাদেরও রয়েছে বাড়তি সুবিধা। তারা ভারতের বাসিন্দা হলেও অনায়াসেই যেতে পারেন মিয়ানমারে। প্রকাশ্যেই সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেন। এ জন্য কোনো ভিসার প্রয়োজন হয় না। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, দু’দেশের সীমান্ত ছুঁয়ে গেছে এ অঞ্চলের রাজপ্রাসাদ। তাই রাজপরিবারের সদস্যদের খেতে যেতে হয় মায়ানমারে। আর রাতে শুতে হয় ভারতে। তবে রাজপরিবারই শুধু নয়, পুরো লৌঙ্গা অঞ্চলের সবাই পেয়েছেন দ্বৈত নাগরিকত্ব। তাই দু’দেশেই তাদের অবাধ যাতায়াত রয়েছে। 

Sunday, January 15, 2017

গাড়ির বদলে এরোপ্লেন

বাড়ির পাশে গ্যারেজ, আর সেই গ্যারেজে সুন্দর একখানা গাড়ি। এমনটাই দেখতে অভ্যস্ত আমরা। কেউ কেউ বিভিন্ন মডেলের একাধিক গাড়িও রাখেন। কিন্তু, দৃশ্যটা যদি এমন হয় যে, প্রতি বাড়িতে গাড়ি নয়, আছে একটি করে এরোপ্লেন, তাহলে কেমন হবে? গল্প নয়, পৃথিবীর বুকে এমন শহরও রয়েছে, যেখানে বাড়িতে বাড়িতে গ্যারেজ নয়, রয়েছে হ্যাঙ্গার, আর সেখানে শোভা পাচ্ছে ব্যক্তিগত প্লেন। আমেরিকার ফ্লোরিডার স্প্রুস ক্রিক শহরের অধিকাংশ বাড়িতে রয়েছে অন্তত একটি করে এরোপ্লেন। ৫০০০ জনের মতো বাসিন্দা থাকেন এই শহরে, রয়েছে ১৩০০-র মতো বাড়ি, আর ৭০০টির মতো এরোপ্লেন। শহরে রয়েছে ৪০০০ ফুট লম্বা এবং ৫০০ ফুট চওড়া একটি রানওয়ে, যেখানে দৌঁড় দিয়ে আকাশে উড়ে যেতে পারে বাসিন্দাদের এরোপ্লেনগুলি। সেই সঙ্গেই এখানে রয়েছে বেশ কিছু এয়ারক্লাব, এরোপ্লেন ভাড়া দেওয়ার সংস্থা, ফ্লাইট ট্রেনিং শেখানোর বন্দোবস্ত, এবং ২৪ ঘণ্টার কড়া সিকিউরিটি ব্যবস্থা। অনেক নামীদামি লোকই বিভিন্ন সময়ে বাস করেছেন স্প্রুস ক্রিকে। তাদের মধ্যে আছেন হলিউড অভিনেতা জন ট্র্যাভোল্টা। কিন্তু তার বোয়িং ৭০৭-এর ইঞ্জিনের গর্জন এতটাই বেশি ছিল যে, প্রতিবেশীদের অভিযোগের ধাক্কায় তাকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হয়।স্প্রুস ক্রিকের বাড়িতে বাড়িতে দেখা মেলে বিচিত্র সব এরোপ্লেনের। বোয়িং তো রয়েছেই, পাশাপাশি কেসনাস, পাইপার্স, পি-৫১ মাস্টাং, ফরাসি ফগ ম্যাজিস্টার কিংবা রাশিয়ান মিগ-১৫ এর মতো প্লেনেরও দেখা মিলবে বাড়িগুলির লাগোয়া হ্যাঙ্গারগুলিতে। কিন্তু কীভাবে একটি এলাকার প্রায় প্রত্যেক বাসিন্দা এরোপ্লেনের মালিক হতে পারেন? তাহলে কী এটাই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী শহর? আসলে, যারা ব্যক্তিগত প্লেনে যাতায়াত করার মতো বিত্তের অধিকারী, তারাই নানা সুযোগ সুবিধার কথা বিবেচনা করে থাকতে আসেন স্প্রুস ক্রিকে। তাদের অধিকাংশই পেশাদার পাইলট। এ ছাড়াও রয়েছেন ডাক্তার, আইনজীবী, কিংবা জমি কেনাবেচার ব্যবসায়ী। প্রত্যেক রবিবার এখানকার বাসিন্দারা স্থানীয় রানওয়েটির কাছে নিজের নিজের প্লেন নিয়ে সমবেত হন। তার পর ছোট ছোট দলে উড়ে যান নিকটবর্তী এয়ারপোর্টটিতে প্রাতঃরাশ সারতে। এই জনপ্রিয় ঐতিহ্যটি এখানকার বাসিন্দাদের কাছে ‘স্যাটারডে মর্নিং গ্যাগেল’ নামে পরিচিত। 

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার মবাহ গোথো এখন সংবাদের শিরোনাম। কেননা, সম্প্রতি তিনি নিজের ১৬৪তম জন্মদিনপালন করলেন। মিডিয়া শুধু খবরটিই দেয়নি, এর সাপেক্ষে পেশ করেছে উপযুক্ত প্রমাণও।প্রমাণানুযায়ী, ১৮৭০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তার জন্ম। ইন্দোনেশিয়ার রেকর্ডও তাই বলছে। কিন্তু আশ্চর্য এ বিষয়ে গিনেসবুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে কোনও তথ্য নেই।সব দাবি সত্য হলে মবাহই হবেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী জীবিত ব্যক্তি। বর্তমানে খেতাবটি রয়েছে ফরাসি জ্যাঁনেক্যালমেন্টের। মৃত্যুকালে সেই ব্যক্তির বয়স হয়েছিল ১২২ বছর। তবে মবাহ এখনও জীবিত। তিনি গত ৩১ ডিসেম্বর জন্মদিন পালনও করলেন সমারোহ করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। এক ফুঁতেই নিভিয়ে দেন সব মোমবাতি। তার দম দেখে উপস্থিত সকলেই যারপনারই বিস্মিত। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন তার নাতিপুতি, তাদের সন্তানরাও।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে দীর্ঘ আয়ু রহস্য কী? তার উত্তর- খাদ্যাভ্যাস। সেই কবে, ১৯৯২ সাল থেকেই তিনি নাকি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলেন। এমনকী সে-সময় তৈরি হয়েছিল তাঁর সমাধিফলকও। তারপরও বছর কেটে গেছে আও ২৪ বছর।এখনও তিনি বহাল তবিয়তে জীবিত। চোখে ভালো দেখেন না বলে মবাহ টেলিভিশন দেখেন না, তবে রেডিও শুনেই তার সময় কাটে। 

অন্য রকম এক সৌদি রাজকুমারী

সৌদি আরবে নারীদের জীবন কাটাতে হয় নিয়মের নানা বেড়াজালের মধ্যে। এই দেশটিতেই সব প্রথা ভেঙে ভিন্ন রকম জীবন কাটান রাজকুমারী আমিরাহ আল তাউইল।রাজকুমারী আমিরাহর জন্ম ১৯৮৩ সালের ৬ নভেম্বর, সৌদি আরবের রিয়াদে। বেড়ে উঠেছেন সেখানেই। তবে তিনি শুধু ছবির সুন্দর রাজকুমারী হয়েই বেঁচে থাকতে চাননি। আত্মনিয়োগ করেছেন নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন অর্জনে। ইতিমধ্যে জনসেবামূলক কাজ করে নজর কেড়েছেন তিনি। যে দেশে নারীদের কঠোরভাবে পর্দা করতে হয়, সেখানে তিনি পশ্চিমা পোশাকে ঘুরে বেড়ান। তৈরি করেছেন নিজস্ব স্টাইল।রূপকথার রাজকুমারীর জীবনে যেমন রাজকুমার এসে জীবন বদলে দেয়; আমিরাহর জীবনেও তেমনটাই হয়েছে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি প্রেমে পড়েন প্রিন্স আলওয়ালেদ বিন তালালের। তাঁদের বয়সের ব্যবধান ছিল ৩২ বছর। আর আলওয়ালেদ তত দিনে দুবার বিয়ে করে ফেলেছেন। কিন্তু কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ২০০১ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। 
বিয়ের পর আমিরাহ শুধু প্রিন্স আলওয়ালেদের স্ত্রী হিসেবে থাকতে চাননি। তিনি আলওয়ালেদ বিন তালাল ফাউন্ডেশনসের ভাইস চেয়ারপারসন হন। আর তখন থেকেই তিনি পাদ-প্রদীপের আলোতে আসতে শুরু করেন। দাবি তোলেন নারীদের অধিকারের। পাশে দাঁড়িয়েছেন দরিদ্র, নারী ও শিশুদের। তিনি এখন পরিচিত মানবতাবাদী, উদ্যোক্তা, ফ্যাশন আইকন, সুবক্তা ও টাইম এন্টারটেইনমেন্ট হোল্ডিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে। তাঁর প্রতিষ্ঠান তরুণকেন্দ্রিক গণমাধ্যম ও প্রযুক্তিশিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, যা সৌদি সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি তাসামি সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভস সেন্টারের সভানেত্রী ও অন্যতম উদ্যোক্তা। প্রতিষ্ঠানটি সৌদি আরবজুড়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে। 
আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজকুমারী আমিরাহ সৌদি নারীর স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের শক্তির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সৌদি নারীরা বাস্তব জগতে নিজের মনের কথাগুলো বলার সুযোগ পায় না। সেই কথাগুলো বলার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম, যেখানে নারীরা সমান সুযোগ পায় নিজেকে প্রকাশ করার। তবে এখানেও নারীকে নানা বিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়, বিশেষ করে বিতর্কিত ব্যক্তিরা যখন নারীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত আপত্তিকর কথা বলে যান। কিন্তু এরপরও কোনো দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য নারীদের ভালো প্ল্যাটফর্ম এটি।
তবে নিজের জীবনে একটি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়ে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাতে হয় আমিরাহকে। স্বামী পাশে থাকলেও তাঁর চলাফেরা-কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি তুলেছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তাঁর দেবর প্রকাশ্যে স্বামীকে হুমকি দিয়েছিলেন, স্ত্রীকে (আমিরাহ) সামলাতে না পারলে কঠিন ঝামেলায় পড়তে হবে। এই পরিস্থিতিতে তাঁরা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটান, ২০১৩ সালে। তবে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সুসম্পর্ক আছে বলে দাবি তাঁর। 




রাজধানী নেই যে দেশে

পৃথিবীর সব দেশেরই একটি করে রাজধানী থাকে। যেখান থেকে দেশটির প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। কিন্তু একমাত্র এই দেশটিতে নেই কোন রাজধানী!দেশটির নাম নাউরু। আরেক নাম প্লিজ্যান্ট আইল্যান্ড নামেই পরিচয়। চোখজুড়ানো নৈসর্গিক দৃশ্য। পৃথিবীর একমাত্র দেশ এটাই, যার কোন সরকারি রাজধানী নেই। আয়তনের বিচারে পৃথিবীর তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। জনসংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম।নাউরুর রাষ্ট্রীয় নাম ‘নাউরু প্রজাতন্ত্র’। পাপুয়া নিউগিনির উত্তর-পূর্ব দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ নাউরু। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে দ্বীপটি জার্মানি দখল করে নেয়।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান এটিকে দখল করে। ১৯৬৮ সালের ৩১ জানুয়ারি দেশটি জাপানের কাছ থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। আয়তন মাত্র ২১ বর্গকিলোমিটার। মুদ্রার নাম অস্ট্রেলীয় ডলার। এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী। শিক্ষার হার ৯৯ শতাংশ।

ভদ্র দানব

প্রতিদিন তিনি ১০ হাজার ক্যালোরি গ্রহণ করেন! এরমধ্যে ৩৬টি ডিম থাকে সকালের নাস্তায়, ৭ পাউন্ড মাংস, ৫ লিটার দুধ এবং আরও তো রয়েছেই। খাদ্যতালিকার এই বিস্ময়কর বহর যার, শারীরিক অবয়বেও ঠিক ততটাই বিশাল তিনি। ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার এই ব্যক্তিটির ওজন ৪৩০ কেজিরও মতো। পাকিস্তানের হাল্ক নামে পরিচিত পাওয়া এই অতিকায় মানুষটির নাম আরবাব খাইজার হায়াত। (সূত্র: মেইল অনলাইন)এমন বিপুল খাদ্যাভাস ও বিশালাকায় শরীর নিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে হয়না ২৫ বছর বয়সী এই তরুণের। এই ‘ভদ্র দানবের’ জনপ্রিয়তাও কিন্তু কোন অংশেই কম নয়। তার সাথে একটি সেলফি তুলতে দূর দূরান্ত থেকে শত শত লোক প্রতিদিনই তার বাসায় আসে।স্থানীয়দের মাঝে তার ‘পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তির’ পরিচিতি হায়াত ছড়িয়ে দিতে চান বিশ্বে, হতে চান বিশ্বতারকা।
তার শক্তিমত্তার বিষয়টি একটি ভিডিওতেই বেশ স্পষ্ট, যেখানে বিপরীত দিকে ঘুরতে চাওয়া একটি ট্রাক্টরকে রশি দিয়ে টেনে আটকে রাখতে দেখা যায়। এছাড়াও একটি জাপানিজ চ্যাম্পিয়নশীপে ১০ হাজার পাউন্ডেরও বেশি ভার তুলেছেন বলে দাবি করেন তিনি।হায়াতের স্বপ্নও এই ভারোত্তলন বা রেসলিং জগতের তারকা হওয়ার। ভারোত্তোলনে চ্যাম্পিয়ন হতে চান তিনি। বলেন, “আমি চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। আল্লাহকে ধন্যবাদ আমাকে এমন অবয়ব দেয়ার জন্য। আমি কিছুদিনের মধ্যেই ভারোত্তোলনের জগতে নাম লেখাবো।”পাকিস্তানের মারাদানের বাসিন্দা হায়াতের ওজন বাড়তে থাকে কিশোর বয়সেই। তখনই তিনি ভারোত্তোলনে আসার চিন্তা করেন এবং স্বেচ্ছায় ওজন বাড়াতে থাকেন বলে জানান। তিনি বলেন, “আমার ওজন নিয়ে কোন সমস্যা হয়না। তবে শক্তিমত্তায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে হলে আমাকে এ বিষয়ে নজর দিতে হবে।”“আমার তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্টে (ডাব্লিউডাব্লিউই) প্রবেশ করা। ওজনের বিষয়টিতে আমি নজর রাখছি। এবং এ ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ নিচ্ছি।”
প্রতিবেশীদের মধ্যে এখনই তারকা হায়াত। পাকিস্তান জুড়ে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বলে পরিচিত। প্রতিদিন শতশত লোক তার সাথে দেখা করতে তার বাড়িতে আসে এবং এই ‘ভদ্র দানবের’ সাথে সেলফি তোলে।হায়াত বলেন, “এখানকার লোকদের কাছ থেকে আমি অনেক ভালোবাসা ও প্রশংসা পাই। কিন্তু আমি এখানেই থেমে যেতে চাই না। আমি বিশ্ব তারকা হতে চাই ““পাকিস্তানে স্ট্রংম্যান বা ভারোত্তোলনে তেমন সুযোগ না থাকলেও আমি আশা করি শীঘ্রই এক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে।”

১৮ বছর আগে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার

ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিল শহরের একটি হাসপাতাল থেকে ১৮ বছর আগে চুরি হওয়া এক নবজাতককে সাউথ ক্যারোলিনা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কামিয়াহ মবলিকে ১৯৯৮ সালের জুলাই মাসে অপহরণ করা হয়েছিল। তাকে গোপন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ উদ্ধার করে।সাউথ ক্যারোলিনার ওয়াল্টারবরোর কর্তৃপক্ষ বলছে, এই অপহরণের জন্য গ্লোরিয়া উইলিয়ামস নামে ৫১ বছর বয়সী এক মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। মিস মবলি এতদিন অন্য নামে পরিচিত ছিলেন এবং এই মিস উইলিয়ামসকেই মা বলে জানতেন। জ্যাকসনভিলের শেরিফ অফিস বলছে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মিস মবলির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। সে পুরো সুস্থ, সবল, স্বাভাবিক একজন ১৮ বছরের তরুণী এখন।কর্মকর্তারা বলছেন, এই অপহরণের ঘটনাটি নিয়ে এর আগে অন্তত আড়াই হাজার 'গোপন সংবাদ' যাচাই বাছাই করেছেন তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গত বছর পাওয়া একটি 'গোপন সংবাদে' কাজ হয়। মিস মবলি যখন অপহরণ হয়, তখন তার কোন ছবি ছিল না। বর্ণনা শুনে শিল্পীর আঁকা একটি ছবিই ছিল ভরসা। জ্যাকসনভিলের ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের একজন স্বাস্থ্য কর্মীর ছদ্মবেশে এক মহিলা মাত্র আট ঘণ্টা বয়সী মিস মবলিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।তার মা সানারাকে ওই মহিলা এসে বলেছিল শিশুটির জ্বর হয়েছে এবং তার পরীক্ষা নিরীক্ষা প্রয়োজন। এই বলে সে মিস মবলিকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। সানারা তার সদ্য অপহৃত কন্যাকে উদ্ধারে তৎপর হন এবং ঘটনাটি গণমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া জাগায়।যদিও মিস মবলির জন্মদাতা-জন্মদাত্রীকে খবরটি জানানো হয়েছে, খবর পেয়ে তারা 'উল্লসিত'ও হয়েছেন, কিন্তু কর্মকর্তারা বলছেন, মিস মবলি যেহেতু একজন প্রাপ্তবয়স্ক, ফলে তিনি কি করবেন সেটা এখন তার উপরেই নির্ভর করবে।"সে যখন অপহৃত হয়েছিল, তখন সে ছিল সদ্যোজাত শিশু, পুরো ব্যাপারটি বুঝে ওঠার জন্য তার এখন সময় প্রয়োজন। আমরা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করি, আপনাদেরও করা উচিত", বলেন জ্যাকসনভিলের শেরিফ মাইক উইলিয়ামস।