আজব পৃথিবী

Wednesday, June 11, 2014

জীব বৈচিত্র্যে অনন্য ১০টি আশ্চর্যজনক দ্বীপপুঞ্জ

কিউবা : কিউবা পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম ও পশ্চিমে অবস্থিত দ্বীপ। আশপাশের অনেকগুলো ছোট দ্বীপের সঙ্গে  মিলে কিউবা প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়েছে। ক্যারিবীয় সাগর ও মেক্সিকো উপসাগরের মধ্য দিয়ে সব সমুদ্রপথের ওপর দেশটি অবস্থিত। কিউবা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বহিঃবিশ্বের সাথে বিছিন্ন হলেও এর রয়েছে অঢেল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বিভিন্ন বিরল প্রজাতির বন্য প্রানী।ক্যারিবিয়ান জলাভুমির জাপাটায় রয়েছে অতি বিরল প্রজাতির কিউবিয়ান কুমির। এছাড়া কানিমার নদীতে আছে বিরল প্রজাতির কয়েকশ কাঁকড়া ও মাছ ।

দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ : এন্টার্কটিকা দ্বীপপুঞ্জ এর অন্তর্ভুক্ত। রয়েছে প্রানী বৈচিত্র্য। দক্ষিণ জর্জিয়া এর উপকূলীয় জলে ১৪৪৫ টি সামুদ্রিক প্রজাতির মাছ পাওয়া গেছে। আছে ক্রিমির মত উদ্ভট জীব, আইসফিস এবং সমুদ্র মাকড়সা। অন্য প্রানীদের মধ্যে পেঙ্গুইন উল্লেখযোগ্য।

গালাপাগোস : দক্ষিন আমেরিকার সমুদ্র উপকুল হতে আনুমানিক এক হাজার কিলোমিটার পশ্চিমে ইকুয়েডর এর নিকটবর্তী আগ্নেয়শিলা দ্বারা গঠিত ভূমিখণ্ডের দ্বীপগুচ্ছ নিয়ে রহস্যময় যে দ্বীপগুলো পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে আছে তাই “গালাপাগোস” নামে পৃথিবীজুড়ে পরিচিত।এই দ্বীপ ভ্রমণে আসেন বিখ্যাট বিবর্তন বিজ্ঞানী ডারউইন। দ্বীপপুঞ্জে থাকার শেষ দিনগুলোতে ডারউইন ভাবতে শুরু করেছিলেন, একেক দ্বীপে ফিঞ্চ ও কচ্ছপের এই বৈচিত্র্য প্রজাতির পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন ধারণার জন্ম দিতে পারে। ইংল্যান্ডে ফিরে এসে ডারউইন গালাপাগোস সহ ভ্রমণের সময় বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত নমুনাগুলো অভিজ্ঞ জীববিজ্ঞানী ও ভূতত্ত্ববিদদের দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে দেখতে পেলেন, গালাপাগোসের ফিঞ্চগুলো বিভিন্ন প্রজাতির এবং দ্বীপ অনুযায়ী তাদের বৈশিষ্ট্য অনেক ভিন্ন। এই তথ্যগুলোই ডারউইনকে তার প্রাকৃতিক নির্বাচন এর মাধ্যমে বিবর্তন প্রমাণের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। এ ধারণা থেকেই তিনি তার সবচেয়ে বিখ্যাত বই অন দি অরিজিন অভ স্পিসিস রচনা করেন ।

বোর্নিও : পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। বোর্নিও মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ব্রুনেইয়ের মধ্যে বিভক্ত। দ্বীপটির মোট আয়তন ৭৫১,১০০ বর্গকিমি বা ২৯০,০০০ বর্গ মাইল। দ্বীপে বানর প্রজাতির স্তন্যপায়ী ১০টি প্রজাতি, ৩৫০ ধরনের পাখি, ১৫০ ধরনের সরিসৃপ ও উভচর ছাড়াও আছে ৬ হাজার প্রজাতির বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ এবং প্রায় একশ এর বেশি কীটপতঙ্গ পাওয়া গেছে।

সুমাত্রা : সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ। আয়তন প্রায় ৪,৭৩,৪৮১ বর্গ কিলোমিটার এবং এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর দ্বীপগুলোর মধ্যে ৬ষ্ঠ। সুমাত্রার জীববৈচিত্র্য বিস্ময়করভাবে সম্বৃদ্ধ। বাঘ, হাতি, হনুমান, গন্ডার, ওরাংওটাং ও অন্যান্য বন্য প্রজাতির নিরাপদ আবাসস্থল বলে ধরে নেয়া হয় এই দ্বীপটিকে।সুমাত্রান বাঘকে এই অঞ্চলের একটি বিশেষ প্রজাতির প্রানী হিসেবে ধরা হয়। এখানে প্রায় ৪০০ বিরল প্রজাতির প্রানী বাস করে।

মাদাগাস্কার : মাদাগাস্কার, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ। আয়তন ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪১ বর্গ কিমি। মাদাগাস্কার সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত এর অসাধারণ আর অদ্ভুতুড়ে জীববৈচিত্র্যের কারণে। মাদাগাস্কারের জীবজন্তুগুলোর ৮০ ভাগই পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না। মাদাগাস্কারে প্রায় ৬০০ প্রজাতির জীব আছে। এই দ্বীপের ৬০০ প্রজাতির জীবের মধ্যে নানারকম গাছপালা আছে ৩৮৫ প্রজাতির, কীটপতঙ্গ আছে ৪২ প্রজাতির, মাছ আছে ১৭ প্রজাতির, উভচর প্রাণী আছে ৬৯ প্রজাতির, সরীসৃপ আছে ৬১ প্রজাতির আর স্তন্যপায়ী প্রাণী আছে ৪১ প্রজাতির।বিজ্ঞানীদের হিসাবমতে, মাদাগাস্কারে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২ লক্ষ প্রাণী এবং গাছ আছে, যার মধ্যে প্রায় দেড় লক্ষ প্রজাতিই পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। এদের মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৫ প্রজাতির লেমুর, ৩৬ প্রজাতির পাখি এবং আরো অনেক অদ্ভূত অদ্ভূত সব প্রাণী। আবার মাদাগাস্কারের অসংখ্য ব্যাঙের মধ্যে শতকরা ৯৫ ভাগই শুধু মাদাগাস্কারেই পাওয়া যায়।

নিউজিল্যান্ড : অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড। দেশটির পরিবেশ এবং প্রাণীকূল বৈচিত্র্যময়। কিইউ পরিচালক পিটার জ্যাকসনের বিখ্যাত সিনেমা 'লর্ড অফ রিংগস' এ নিউজিল্যান্ডের প্রায় সব জীব বৈচিত্র্যের দেখা পাওয়া যায়। দেশটিতে রয়েছে বিরল প্রজাতির প্রায় বাদুর,সরিসৃপ আর ফিসওয়াটার মাছ। এছাড়াও রয়েছে ২০ হাজার প্রজাতির ছত্রাক।

 তাসমানিয়া : তাসমানিয়া একটা অস্ট্রেলিয়ান দ্বীপ রাজ্য যা মূল ভূমি থেকে ২৫০ কিমি দক্ষিনে, বস প্রনালী দ্বারা বিভিক্ত। এইটা হলো পৃথিবীর ২৬ তম বৃহত্তম দ্বীপ। তাসমানিয়াকে বলা হয় তার দেশের জীববৈচিত্রের হটস্পট।তাসমানিয়ায় রয়েছে মাংশাসী প্রানী; যেগুলোকে বলা হয় তাসমানিয়ান শয়তান। এছাড়াও রয়েছে হুয়ান পাইন গাছ,যেগুলো খুব ধীরে বড় হয় কিন্তু বেচে থাকে অবিশ্বাস্যভাবে প্রায় ৩ হাজার বছর।আরো আছে পেঙ্গুইন, তোতা এবং বিরল প্রজাতির সুদর্শন পামলিক গাছ ।

পালাউ : পালাউ প্রজাতন্ত্র পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি স্বাধীন প্রজাতান্ত্রিক দ্বীপরাষ্ট্র। দেশটি কালো দ্বীপপুঞ্জ নামেও পরিচিত। আয়তন মাত্র ১৭০ বর্গ মাইল।কিন্তু আয়োতন কম হলে হবে কি, দ্বীপটির জলে আর স্থলে রয়েছে প্রাকৃতিক সব বন্যপ্রানীতে ভরপুর। উপকুলবর্তী অঞ্চলে রয়েছে কোরাল ও ক্রাস্টেসিয়ান এর সমারোহ। আরো আছে ওয়াটার ফিস, জেলি ফিস ।

কোইবা দ্বীপ, পানামা : পানামার মূল ভূখণ্ড থেকে ১৫ মাইল দূরে অবস্থিত ১ লাখ ২২ হাজার একর বিস্তৃত ইসলা কোইবা পানামার সবচেয়ে বড় দ্বীপ। এই দ্বীপের চারদিকের সমুদ্রে রয়েছে হাঙরের অবাধ বিচরণ। এখানকার মতো এমন ম্যানগ্রোভ বন, আদিম বেলাভূমি পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায় না। কোইবা দ্বীপ হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র স্থান যেখানে এখনও লম্বা লেজওয়ালা লাল রঙের টিয়ে পাখি এবং ঝুঁটিওয়ালা ঈগল টিকে আছে। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো ৩৭টি ছোট ছোট দ্বীপ পরিবেষ্টিত কোইবা ন্যাশনাল পার্ককে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।কোইবা দ্বীপে প্রায় ৭০০ এর মত সামুদ্রিক মাছের সন্ধান পাওয়া গেছে।

Monday, June 9, 2014

বিশ্বের সবচাইতে সুরেলা ৫ পাখি

ককটেইল - গায়ক পাখিদের মধ্যে অন্যতম ওরা। ক্যানারী ও গোল্ডফিনচ থেকে আকারে বড় অস্ট্রেলিয়ান এ পাখির কন্ঠ বেশ মিষ্টি। ওদের শরীরে ক্রেস্ট রয়েছে, যখন ওরা উত্তেজিত কিংবা ভয় পায় তখন ক্রেস্টটি ফুলে ওঠে। প্রায় ১৫টিরও বেশী রংয়ের হতে পারে এ পাখি। ককটেইল কথাও বলতে পারে ভালো। ঠিকমতো প্রশিক্ষন দিলে সুন্দর গান গাইতে ওরা যা নিঃশন্দেহে মনে ধরবে আপনার।

আফ্রিকান গ্রে - মাঝারি আকারের এ পাখির দাম যেমন বেশী তেমনি পোষ মানাতেও সময় লাগে অপেক্ষাকৃত বেশী। বেশ বড় খাঁচা প্রয়োজন ওদের। মূলত সাদা ও কালোর মিক্সড রংয়ের হয়ে থাকে গাঢ ধূসর চোখের এ পাখি। দু হাজারেরও বেশী শব্ধ বলতে সক্ষম এ পাখির গান নিঃশন্দেহে আকৃষ্ট করবে আপনাকে।

ক্যানেরী - পৃথিবীর অন্যতম সুরেলা এক গায়ক পাখির নাম ক্যানেরী। বহু শতাব্দী ধরেই গান গাওয়ার জন্য বেশ সুনাম রয়েছে ছোট্ট আকৃতির এ পাখির। স্পেনের নাবিকদের দ্বারা প্রথম ক্যানেরী স্পেনে আসে। ওদের নামকরণ করাও হয়েছে স্পেনের ক্যানেরী আইসল্যান্ড থেকে। পূর্বে মূলত ধনী ব্যাক্তিদের শখ হিসেবেই পরিচিত ছিল ওদের। মিষ্টি কন্ঠের গান দিয়ে মানুষের মনে বেশ ভালো আনন্দের তৈরী করে এ পোষা পাখি।

প্যারাকেট - ছোট্ট এ পাখিটির গান খুব সহজের মনে ধরবে আপনার। 1891 সালে আমেরিকাতে আবিষ্কৃত এ পাখি বেশ অল্প জায়গায়ই বেড়ে ওঠতে পারে । তাই খুব সহজেই পোষ মানানো যায় ওদের। সবুজ হলুদসহ অনেক রংয়ের হতে পারে এ পাখি। ওরা দলবদ্ধ হয়ে খাবার সংগ্রহ করতেই বেশী পছন্দ করে। পোষা পাখি হিসেবে সুনাম রয়েছে ওদের।

গোল্ডফিনচ - রঙিন এ পাখিটিও বেশ ভালো গান গাইতে পারে। পুরুষ গোল্ডফিনচটি বেশী রঙিন তবে পুরুষ স্ত্রী দু'জনেই চমৎকার গান করে। দেখতে সুন্দর হওয়ায় পোষা পাখি হিসেবে খুব চাহিদা রয়েছে ওদের। সামাজিক পাখিও বলা হয় নর্থ আমেরিকান এ পাখিকে। বেশ দলবদ্ধ হয়েই খাবার সংগ্রহ করে ওরা। সব পেট স্টোরেই পাওয়া যায় ওদের তাই বেশ সহলভ্যই বলা চলে গোল্ডফিনচকে।

Sunday, June 8, 2014

ভয়ংকরতম ৯টি পর্বত

কিলিমাঞ্জারো,তানজানিয়া : মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো, তানিজানিয়ার সুপ্ত আগ্নিয়গিরি।সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচচতা প্রায় ১৯ হাজার ৩৪১ ফুট।কিলিমাঞ্জারোই আফ্রিকার সর্বোচচ শৃঙ্গ। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামিট বেস ক্যাম্প এই পর্বতটিকে বলা হয়।পর্বতোরোহীদের জন্য এটি খুবই বিপদজনক। প্রতিবছর প্রায় ১০-১২ জন মানুষ এখানে মারা যায়।
ভ্যানসন মাসিফ,এন্টাকর্টিকা : এন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচচ পর্বত এই ভ্যানসন মাসিফ।এ টি সমদ্র উপকুল থেকে ১৬০৫০ ফুট উপরে এবং দক্ষিন মেরু থেকে প্রায় ৭৫০ মাইল দূরে অবস্থিত। ১৯৫৮ সালে আমেরিকান নেভির গবেষক কার্ল ভ্যানসন এটি আবিষ্কার করেন। পর্বোতোরোহীদের জন্য এখানে ভ্রমণ তেমন সুখকর নয় কারণ, এখানের তাপমাত্রা অনেক ঠান্ডা প্রায় মাইনাস ২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং একই সাথে রয়েছে প্রচন্ড বাতাস।

মন্ট ব্লাংক, ফ্রান্স : এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ৭৮২ ফুট উচু ।এটিই আল্পস পর্বতের সর্বোচচ শৃংঙ্গ। মন্ট ব্লাংক পর্বতটি ফ্রান্স ও ইতালি দুই দেশের সীমান্তে অবস্থিত। ১৭৮৬ সালে সর্বো প্রথম এই পর্বতে আরোহন করা হয়।
আরিনাল আগ্নিয়গিরি,কোষ্টারিকা : আরিনাল আগ্নেয়গিরিটি কোষ্টারিকার আরিনাল সমুদ্র উপকুলে অবস্থিত।সমুদ্রতল থেকে এর উচচতা ৫ হাজার ৩৫৮ ফুট । সবর্শেষ এই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুতপাত হয় ১৯৬৮ সালে।সেবার এর থাকায় ধবংস হয়ে গিয়েছিল তাবাকন নামক শহর।

মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স,আমেরিকা : আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতি আর অর্থনৈতিকভাবে বিধংসী অগ্ন্যুতপাত হয় এই পর্বত থেকে।১৯৮০ সালের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় ৫৭ জনের প্রাণহানি হয় সাথে ২৫০ এর মতো বাড়ি ধবংস হয় এবং ১৮৫ মাইল হাইওয়ে ধবংস হয়ে হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচচতা প্রায় ৮ হাজার ৩৬৪ ফুট।১৯৮০, আধুনিক পৃথিবী এই দিন দেখেছিল আগ্নেয়গিরির বিরল আর ভয়ঙ্কর এক রূপ। মাউন্ট সেন্ট হেলেন তার অগ্নুৎপাত দিয়ে পৃথিবীর মানুষকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল, ঠাঁই করে নিয়েছে সে ইতিহাসের পাতায়। সেন্ট হেলেনের ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য্য মানুষ আজও ভোলেনি ।


ফুজি পর্বতমালা,জাপান : ফুজি পর্বতমালা জাপানের সর্বোচচ পর্বতমালা। সমুদ্রতল থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১২৩৮৯ ফুট । এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পন পর্বতমালা। ফুজি একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। সর্বশেষ ১৭ শতকে এতে অগ্ন্যুতপাত হয়েছিলো। মাউন্ট ফুজির জ্বালামুখটি আশ্চর্যরকমভাবে প্রতিসম যা বছরের বেশ কয়েক মাস বরফাচ্ছাদিত থাকে। এটি জাপানের একটি সুপরিচিত প্রতীক এবং জাপানের শিল্পকলা ও স্থিরচিত্রে প্রায়শই এটিকে দেখা যায়। পর্যটক ও পর্বতারোহীদের কাছে মাউন্ট ফুজি একটি জনপ্রিয় স্থান। প্রতি বছর প্রায় ২ লাখেরও বেশি মানুষ চারটি রুটে এই পর্বতে আহোরণ করে।

ফগো পর্বতমালা, কেপ ভার্দে : ফগো দ্বিপ আফ্রিকার পশ্চিম তীরে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালে ৯২৮১ ফুট উচচতায় অগ্ন্যুতপাত হয়। এতে কলরেডা গ্রাম ধবংস হয়ে যায়।

হিমালয়,তিব্বত : পৃথিবীর সর্বোচচ উচচতার এই পর্বতমালা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৯ হাজার ২৯ ফুট উঁচু। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, চীন, নেপাল ও ভূটান এশিয়ার এই পাঁচ দেশে বিস্তৃত হিমালয় পর্বতমালা। ১৯৫৩ সালে নেপালের এডমন্ড হিলারী ও নিউজিল্যান্ডের তেনজিং হিমালয় পর্বতমালায় প্রথম আরোহন করেন। আপনি যদি হিমালয় পর্বত জয়ের ইচ্ছা করেন তাহলে ফিটনেস খরচ বাবদ সামিট প্রশিক্ষন কেন্দ্রকে আপনাকে দিতে হবে ৪০০০০ মার্কিন ডলার।

ভিসুভিয়াস,ইতালি : ইতালির নেপলস উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আগ্নেয়গিরি। নেপলস থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রউপকূলের খুব কাছে এর অবস্থান।সর্বোশেষ খিষ্টপূর্ব ৭৯ অব্দে এখানে অগ্ন্যুৎপাত হয়।বর্তমানে এটিকে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর আগ্নেয়গিরিগুলোর মধ্যে একটি হিসাবে গণ্য করা হয় কেননা এর আশপাশের এলাকায় ৩,০০০,০০০ মানুষ বসবাস করে এবং এটির বিস্ফোরণের মত অগ্ন্যুৎপাতের প্রবণতা রয়েছে । এটি পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল অগ্নুৎপাতপ্রবণ এলাকা ।

Thursday, June 5, 2014

সবচেয়ে আকর্ষনীয় দশটি প্রাকৃতিক আর্চ

ল্যান্ডস্কেপ আর্চ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র : বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক এই আর্চটি আমেরিকার ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত। এটি দেখতে অনেকটা ছবির ফ্রেমের মতো। এই আর্চটির স্প্যানিং প্রায় ২৯০ ফুট এরও বেশি।

Durdle Door ,যুক্তরাজ্য : এই আর্চটি যুক্তরাজ্যের জুরাসিক সমুদ্র উপকুলের কাছে অবস্থিত। এই আর্চটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি চুনা পাথরের তৈরি। Durdle শব্দটি এসেছে ইংরেজী শব্দ 'thirl' থেকে বা drill থেকে।

মুন হিল বা চাঁদের পাহাড়, চীন : দক্ষিন চীনের গুয়াংজি অঞ্চলের ঠিক বাহিরে ইয়াংসুতে এই চাদের পাহাড় অবস্থিত।এর ভিতরে রয়েছে চুনা পাথরের গুহা।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত এই আর্চটি প্রায় ১৬৫ ফুট উচু।

রেনবো ব্রীজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র : রেনবো ব্রীজটিকে খুব সম্ভবত পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সেতু বা ব্রীজ বললেও ভুল বলা হবে না।এই ব্রীজের তলদেশ দিয়ে আমেরিকার বিখ্যাত কলোরাডো নদীর শাখা নদী বয়ে গেছে।এই প্রাকৃতিক ব্রিজের উচচতা প্রায় ২৯০ ফুট।

পন্ট ডি’আর্ক, ফ্রান্স : ফ্রান্সের বিখ্যাত নদী আরডেচি নদীর উপকুলে এটি অবস্থিত।এখানে পর্যটকদের জন্য কায়াকিং স্পট রয়েছে।এই প্রাকৃতিক সেতু প্রায় ২০০ ফুট চওড়া এবং ১৭৫ ফুটের বেশী লম্বা।

আজুর উইন্ডো,(নভোনীল উইন্ডো) মাল্টা : গোযো এর মাল্টীয় দ্বিপে এই চিত্তাকর্ষিত আর্চটি সমদ্রের তীর ঘেষে দাঁড়িয়ে আছে।সমুদ্র স্রোতের কারণে এর তলদেশ প্রায় ক্ষয় প্রাপ্ত।

ইম্মর্টাল ব্রিজ বা অমর সেতু,চীন : দেখেই বুঝতে পারছেন কতটা ঝুকিপূর্ণ এই প্রাকৃতিক শিলা পাথরের তৈরি এই সেতুটি।এই শিলা সেতু দুইটি (মাউন্ট তাই এবং ফল্ট ব্লক)পাহাড়কে যদিও একত্রিত করেছে তবুও মনে হয় এটা কেউই ব্যবহার করে না।

গ্রীন ব্রীজ অফ অয়েলস,যুক্তরাজ্য : এই চিত্তাকর্ষক প্রাকৃতিক সমুদ্র আর্চটি ওয়েলসের ন্যাশনাল পার্কে দেখা যাবে।

আর্কো ন্যাচারাল, ইতালি : এই প্রাকৃতিক আর্চটি পূর্ব আইস ল্যান্ড অফ কাপরিতে অবস্থিত।এই আর্চটি পুরাপলীয় যুগের বলে মনে করা হয়।

ডিলিকেট আর্চ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই আর্চটি উতেহ ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত। এই আর্চটি বেলে পাথরের ।এটি তুষারপাত এবং ক্ষয় এর ফলে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বলে মনে করা হয়।

ভয়ংকর ভূতুড়ে ৬ হোটেল

ক্যাসেল স্টুয়ার্ট, স্কটল্যান্ড
১৬২৫ সালে স্থাপিত এই ক্যাসেলটি তৈরী করেছিলেন জেমস স্টুয়ার্ট। তিনি ছিলেন তৎকালীন স্কটল্যান্ডের রানীর দূর সম্পর্কের ভাই। ক্যাসেলটি তৈরীর পর থেকেই নানান রকমের ভৌতিক কান্ড ঘটতে থাকে সেখানে। ফলে এক পর্যায়ে সেটা বসবাসের অযোগ্য হয়ে যায় মানুষের জন্য। অনেকেই ব্যাপারটা বিশ্বাস করেন নাই। আর তাই স্টুয়ার্ট একপর্যায়ে ঘোষণা দেন যে কেউ যদি এক রাত ক্যাসেলে থেকে প্রমাণ করতে পারে যে সেখানে ভুত নেই, তাকে পুরস্কৃত করা হবে। এই প্রস্তাবে এলাকার ধর্ম যাজক পেট্টি চার্চ সেখানে রাত্রিযাপন করার প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন। পরদিন সকালে ক্যাসেলটিতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। মৃতদেহের চেহারাটি ছিলো প্রচন্ড ভয়ার্ত!

হোটেল বার্চিয়ান্তি, ইতালি
ইতালির ফ্লোরেন্সে অবস্থিত এই হোটেলটিকে ভূতের হোটেলই বলা চলে। কারণ এই হোটেলে যারাই অবস্থান করেছে তাদের অনেকেই নানান রকম ভৌতিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে। ছোট শিশুর ছায়া, নারীর চেয়ারে বসে উল বোনার দৃশ্য, ভোর বেলা ভৌতিক ক্লিনার সহ আরো নানান রকমের অদ্ভুত অশরীরী দেখতে পেয়েছেন অনেকেই। এমনকি অনেকে হোটেলের যে রুমটিতে মুসোলিনি থেকেছিলেন সেখানে তার আত্মাও দেখতে পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

ল্যাংহাম হোটেল, লন্ডন
 লন্ডনের ল্যাংহাম হোটেলের। ১৮৮৫ সালে তৈরী হওয়া এই হোটেলে বহু নামীদামী লোকজন বসবাস করেছেন বিভিন্ন সময়ে। আর তার পাশাপাশি বেশ কিছু ভূতেরও বসবাস আছে এই হোটেলে? অবাক হচ্ছেন? এই হোটেলের রুম নাম্বার ৩৩৩ এ ভিক্টোরিয়ান ইভনিং পোশাক পরা একটি পুরুষের ছায়া দেখা যায়। তবে এই ছায়া শুধুমাত্র অক্টোবর মাসেই দেখা যায়। অন্যসময়ে কোনো সমস্যা হয় না। অনেকেই এই হোটেলের ৪ তলার জানালায় মিলিটারি পোশাক পরা একজনকে প্রায়ই দেখতে পান। ধারনা করা হয় এটা জার্মান প্রিন্সের আত্মা যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে জানালা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।

রাসেল হোটেল, অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অবস্থিত এই হোটেলের ৮ নম্বর রুমটিকে সবাই এড়িয়ে চলেন। আর তার কারণ হলো এখানেও ভৌতিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন অনেকেই। বলা হয়ে থাকে এই রুমে আটকে আছে এক নাবিকের আত্মা। হোটেলের কর্মচারীরা গভীর রাতে এই রুম থেকে জোরে জোরে পা ফেলে হাটার শব্দও পেয়ে থাকেন নিয়মিত। যদিও রুমটিতে কখনই কেউ থাকে না!

দ্যা হাওথ্রন হোটেল, আমেরিকা
আমেরিকার ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত হোটেল দ্যা হাওথ্রনে অনেক বিখ্যাত মানুষ থেকেছেন অনেক সময়। এমনকি আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ ও তার স্ত্রীও থেকে গিয়েছেন এখানে। কিন্তু এই হোটেলেরও আছে ভৌতিক ঘটনা ঘটার বদনাম। চোখের সামনে থেকে চাবি গায়েব হয়ে যাওয়া, সুইচ অন ছাড়াই লাইট অন এবং অফ হয়ে যাওয়া, হঠাৎ পানির কল চালু হয়ে যাওয়া সহ আরো নানান রকম সমস্যা হয় এই হোটেলের অনেক গুলো রুমেই। হোটেলের ৬১২ নম্বর রুমের ঠিক সামনে অনেকেই একটি নারীর অবয়ব দেখতে পেয়েছেন অনেকবারই। কিন্তু পিছু নিতে গেলেই বার বার মিলিয়ে গিয়েছে সেটা।

কোম্ব অ্যাবি হোটেল, ইংল্যান্ড
১৩৪৫ সালে এই হোটেলে খুন হয়েছিলেন জিওফ্রে নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু তার খুনিকে কখনই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে জিওফ্রে এর আত্মা ছেড়ে যায়নি হোটেলটি থেকে। আর তাই অনেকেই মাঝ রাতে হোটেলের রান্নাঘর থেকে হাড়িপাতিল ছুড়ে ফেলার শব্দ পান। শব্দ শুনে মনে হয় কেউ যেন তীব্র আক্রোশে জিনিসপত্র ছুড়ছে এদিক ওদিকে।

Tuesday, June 3, 2014

স্বর্গীয় সৌন্দর্যে রঙিন ১৫ টি স্থান

অসাধারণ রঙের খেলা লেকের পানিতে। দেখে মনে হয় আকাশের রঙধনু নেমে এসেছে পৃথিবীর বুকে। মর্নিং গ্লোরি নামক এই লেকটি ইয়েলো স্টোন ন্যাশনাল পার্ক, ইউএসএ।

এটি কাওয়াচি ফুজি গার্ডেন। এটির অবস্থান কিটাকায়ুসু, জাপান। ল্যাভেন্ডার রঙে ছেয়ে থাকা এই টানেলটি আসলেই স্বপ্নময়। তাই নয় কি?

হলুদ ক্যানোলা ফুলের সমাহারে ছেয়ে গিয়েছে মাইলের পর মাইল জায়গা। এই স্থানটির নাম ক্যানোলা ফ্লাওয়ার ফিল্ড। চীনের ইয়ুন্নানে অবস্থিত এটি।

আকাশ আর মাটির মিলন মনে হয় একেই বলে। নীল ফুলে ছেয়ে থাকা দিগন্ত বিস্তৃত এই জায়গাটির নাম হিতাচি সিসাইড পার্ক। এর অবস্থান হিতাচিনাকা, ইবারাকি, জাপান।

প্রথম দেখায় যে কেউ মনে করতে পারেন এটি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোনো কাজের খেলা। কিন্তু আসলেই ফ্লাই গেইসার নামক নর্দান নাভাডার এই স্থানটি এতোটা রঙিন।

সবুজে সুন্দর। সাগানো ব্যাম্বো ফরেস্ট এটি। এর অবস্থান আরাসিয়ামা, জাপান।

 রঙিন পাহাড়ের দেশে। সাউথ ওয়েস্ট চীনের অসাধারণ একটি স্থান ঝাংইয়েই ডানজিয়া।

গোলাপি রঙের স্থানটি দেখে যে কেউ অন্য কিছু ভাবতে পারেন। কিন্তু আসলে এটি একটি লেক। লেক হিলার মিডেল আইসল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিত।

ইতালির ভেনিস শহরের বুরানো স্থানটির মতো রঙিন বাড়িঘর পুরো পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া মনে হয় আসলেই দুষ্কর।

স্বর্গের জলধারা বলা হয় এই হাভাসু ফলসকে। এটি গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, অ্যারিজোনায় অবস্থিত।

পাথরের কারুকাজ। দেখে মনে হয় কেউ মনের মাধুরি মিশিয়ে অনেক সময় নিয়ে কাজ করেছেন এই অ্যান্টেলোপ ক্যানিয়নে। কিন্তু পুরোপুরি প্রাকৃতিক অ্যারিজোনার এই ক্যানিয়নটি।

পুরো জাপানের আনাচে কানাচেই রয়েছে অনেক অসাধারণ স্থান। এই ডিয়াগো-জি টেম্পলটি তারই প্রমাণ। এটি জাপানের কিয়োতোতে অবস্থিত।

বলে না দিলে কারো বিশ্বাসই হবে না লাল রঙে ছেয়ে থাকা এই অসাধারণ স্থানটি একটি সমুদ্র সৈকত। পানজিন রেড বীচের অবস্থান চীনে।

প্রায় ২.৫ একর স্থান জুড়ে ফুটে রয়েছে সিবাজাকুরা ফুল। তাকিনোউ পার্কটি সত্যিই স্বর্গের সৌন্দর্যে তৈরি। এর অবস্থান হাক্কাইডো জাপান। 

স্বর্গ থেকে নেমে আসা এই জলের ধারা যেন পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তুলেছে। নীল রঙের ছড়াছড়ির এই স্থানটির নাম ম্যান্ডেনহল আইস কেইভ। এই গুহাটি জুনেউ, আলস্কায় অবস্থিত।

Sunday, June 1, 2014

উড়ন্ত গাড়ি!

ধরুন আপনি গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাচ্ছেন। কিন্তু রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে আপনার রাস্তা আটকে গেছে।কি করবেন তখন?হয়তবা ভাবছেন যদি আপনার গাড়িটি আকাশে উড়তে পারত!হতাশ হবেন না। এটি এখন আর ভাবনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এটিই এখন বাস্তবতা।কারণ গাড়ি যে এখন আকাশে উড়তে পারে!হ্যাঁ, সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিষ্ঠান এমনি এক ধরনের গাড়ি তৈরি করেছে যা রাস্তায়ও চলতে পারে, আকাশেও উড়তে পারে।পিএএল-৫ নামের গাড়িটিতে রয়েছে ২৩০ হর্সপাওয়ার ইঞ্জিন যা পেট্রোলের সাহায্যে চলে।গাড়িটিতে একসঙ্গে দুই জনের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এটি আকাশে ও স্থলে সর্বোচ্চ ১১২ মাইল বেগে ছুটতে পারে এবং একটানা সর্বোচ্চ ৩১৫ মাইল পর্যন্ত যেতে পারে। গাড়িটি চালাতে ঘন্টায় ৯ দশমিক ৫ গ্যালন পেট্রোলের প্রয়োজন হয়।তবে ২০১৬ সালের আগে এটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে রপ্তানি করা হবে না বলে জানিয়েছে এর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান।