আজব পৃথিবী

Tuesday, November 28, 2017

আইলিড শেভ

চুল কাটার বহু রকম ফেরে নিত্যদিনই গ্রাহকদের বায়নায় কেতা কায়দা শিখতে হচ্ছে স্থানীয় নাপিতদের। তবে এবার নিছক কেতা কায়দার জন্য নয়, দোকানে আসা গ্রাহকদের আরাম দিতে, তাদের চোখের পাতা শেভ করছেন চিনের এক নাপিত জিওং গাউ। চিনের পুরনো এক সাবেকি পন্থা মেনে চলছে এই চাঁছার কাজ।চিনের সিচুয়ানের নাপিত জিওং আবিষ্কার করেছেন নতুন ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তথা আরামের উপায় 'ব্লেড ওয়াশ আই'। যে ফ্যাশন স্টেটমেন্টের মাধ্যমে এই নাপিত চোখের পাতার ধার ঘেঁসে আলতো করে চেঁছে দিচ্ছেন লোমগুলি। এই কাজ চলছে ক্ষুর দিয়ে। ক্ষুর চালিয়ে মাথার চুল কাটা দেখেছেন, কিন্তু এই পন্থা অত্যাধুনিক। আর 'আই লিড শেভ' করতে রোজ ভিড় হচ্ছে বহু ফ্যাশনপ্রেমী মানুষের। 

তবে শুধু ফ্যাশন নয়, এই আইলিড শেভ করে প্রচুর মানুষ আরাম পাচ্ছেন বলে দাবি এই নাপিতের। চিকিৎসকদের মতে যদি পাতা চাঁছবার যন্ত্রপাতি পরিচ্ছন্ন হয়, তাহলে কোনওভাবেই কোনও রকমের সংক্রমণ ছড়াবেনা এই আইলিড শেভ থেকে। এদিকে, যাঁরা এভাবে চোখের পাতা চাঁছছেন তারাও বেশ খুশি এই কাজ করে। সব মিলিয়ে এই গোটা ঘটনায় হৈচৈ পড়ে গিয়েছে চিনে।

Tuesday, September 5, 2017

কেমন হাত

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বালক তারিক। বয়স ১২ বছর। জন্মের সময় থেকেই তার দুহাতে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। স্বাভাবিকের চেয়ে তা ১২ ইঞ্চি বেশি লম্বা। হাতের আঙ্গুলও অস্বাভাবিক লম্বা ও মোটা।তার এ হাত দেখলে অন্য বাচ্চারা ভয় পায় বলে তাকে স্কুলে ভর্তি করানো যায় নি। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি করাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারিকের বন্ধুবান্ধব ছিল। কিন্তু তারা যখন দেখেছে, তার এ অসুখ ভালো হওয়ার নয়, তখন তারা তাকে ছেড়ে চলে গেছে।তাকে স্থানীয়রা ‘ডেভিল’ বা অশরীরি বা দুষ্টচক্রের মানুষ বলে আখ্যায়িত করে। তাকে মনে করা হয় অভিশপ্ত হিসেবে। কিন্তু তারিক জানে তার এ রোগ সারার মতো। তবে চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ নেই পরিবারের। তার পিতা মারা গেছেন। এরপর থেকে তারিককে নির্ভর করতে হয় তার ভাইয়ের ওপর।

সে নিজে কাপড় পরতে পারে না। খেতে পারে না। গোসল করতে পারে না। সবই করে দেয় তার ভাই। তার এ রোগ কি ধরনের তা পরীক্ষাও করা হয় নি। তবে কিছু ডাক্তার আন্দাজ করছেন তারিক ‘এলিফ্যান্ট ফুট’ নামের একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। তারিক বলে, ‘এ অবস্থা থেকে আমি মুক্তি পেতে চাই। অন্য ছেলেমেয়ের মতো আমিও হতে চাই। প্রতিদিন স্কুলে যেতে চাই। খেলতে চাই। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন আমার স্বাভাবিক হাত হবে। এক সময় আমার বন্ধু ছিল। এখন কেউ নেই। সবাই আমাকে দেখে ভয় পায়। মানুষ মনে করে কোনো অভিশাপের ফল আমার এই অবস্থা।’তারিকের ভাই হরজ্ঞানের ভাষায়, ‘ওকে কোনো স্কুলই ভর্তি করাতে রাজি হয় নি। তারা বলেছে, ওর এত বড় হাত দেখে অন্য ছাত্রছাত্রীরা ভয় পাবে। আসলে তারিকের হাত অনেক বড়। আমার জীবনে আমি এত বড় হাত দেখিনি কখনো। এ হাত নিয়ে তারিকের জীবন স্থবির হয়ে আছে।’

বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি

মোট এক লাখ ১০ হাজার বর্গমিটারের বিশাল জায়গা নিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানে নির্মিত হয়েছে তেহরান বুক গার্ডেন।এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।তেহরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আব্বাসাবাদ হিলস-এ নির্মিত এই লাইব্রেরিটিতে বইয়ের দৃষ্টি আকর্ষক প্রদর্শনীর সঙ্গে রয়েছে একটি আর্ট গ্যালারি এবং ১০টির মতো থিয়েটার ও অ্যাম্ফিথিয়েটার।এখানে শিশুদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে একটি বিশেষ সেকশন। যেখানে থাকবে তাদের পাঠোপযোগী বই। নিউজ উইকের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুধু শিশুদের জন্যই রয়েছে চার লাখ বইয়ের বিশাল সংগ্রহ।

এই লাইব্রেরিতে রয়েছে মুভি থিয়েটার, সায়েন্স হল, ক্লাসরুম, একটি রেস্টুরেন্ট এবং একটি প্রার্থনাঘর। আর মনোরম পরিবেশে পড়ার জন্য লাইব্রেরির ছাদে রয়েছে সবুজ পার্ক।চলতি বছরের জুলাইয়ে উদ্বোধনের সময় তেহরানের মেয়র মোহাম্মদ বাকার ক্বালীবাফ বলেছিলেন, এটি আমাদের দেশের জন্য একটি বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। এই সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সুযোগ গ্রহণ করে শিশুরা যথাযথ ভাবে বেড়ে উঠবে।তেহরান বুক গার্ডেন প্রতিষ্ঠার প্রথম প্রস্তাব এসেছিল ২০০৪ সালে। তেহরান আন্তর্জাতিক বইমেলার আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার কারণে এই প্রস্তাবটি এসেছিল। বিভিন্ন বই বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করা নিয়ে ইরানকে আগে সমালোনার শিকার হতে হয়েছে। সম্প্রতি ইরানের  দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসছে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ২০১৫ সালের তেহরান আন্তর্জাতিক বইমেলাতে শীর্ষ প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী। এর মাধ্যমে এই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছিল যে ইসলামিক রিপাবলিকে প্রকাশনার যে বিধি-বিধান রয়েছে তা  শিথিল হচ্ছে। দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে হাসান রুহানীর সরকারের ব্যাপক প্রশংসা করা হয়েছে।গিনেজ বিশ্ব রেকর্ড অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের পর থেকে বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি হচ্ছে নিউইয়র্ক শহরের ফিফথ এভিনিউয়ের বার্নেস এন্ড নোবেল। এটি প্রায় এক লাখ ৫৪ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। যেখানে ১২ মাইল দীর্ঘ জায়গা জুড়ে বই রাখার জন্য ব্যবহৃত সেলফ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই লাইব্রেরি থেকে তেহরান বুক গার্ডেন প্রায় তিনগুন বড়।

Wednesday, June 21, 2017

রাজার জন্য স্ত্রী বাছতে প্রকাশ্যে কুমারিত্ব পরীক্ষা

প্রতি বছর রাজা একজন করে নতুন রানি বেছে নেন । বছরের নির্দিষ্ট সময়ে । তার জন্য প্রকাশ্যে পরীক্ষা করা হয় নাবালিকাদের কুমারিত্ব । পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে থেকে একজনকে রানি হিসেবে মনোনীত করেন রাজা ।আরব্য রজনীর গল্প নয় । এটা বাস্তব ঘটনা আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ডে । আফ্রিকার দক্ষিণ অংশে এই ছোট্ট দেশটা সোয়াজি উপজাতি অধ্যুষিত । দেশের সিংহাসনে আসীন রাজা তৃতীয় সোয়াতি । প্রচলিত রীতি হল‚ বছরের নির্দিষ্ট সময়ে রাজা নতুন রানি বেছে নেবেন ।সেই উপলক্ষে রাজার সামনে অবিবাহিতা নাবালিকারা ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত করে প্যারেড করেন । এরপর শুরু হয় উমহ্লাংলা উৎসব । রাজার সামনে নাচ গানে মেতে ওঠে ওই টপলেস-কন্যেরা । তারপর প্রকাশ্যে ওই মেয়েদের কুমারিত্ব বা ভার্জিনিটি পরীক্ষা করা হয় ।আন্তর্জাতিক মহলে এই রীতি নিন্দনীয় হলেও সোয়াজিল্যান্ডে কোনও পরিবর্তনের চিহ্ন চোখে পড়েনি । সোয়াতি তৃতীয়-র বাবা রাজা দ্বিতীয় সোভুজার ছিলেন ১২৫ জন রানি । গত বছর ১৫ জন স্ত্রী‚ ৩০ জন কচিকাঁচা এবং শতাধিক পরিচারক নিয়ে ইন্ডিয়া আফ্রিকা সামিটে এসে ভারতে অতিথি হয়ে ছিলেন রাজা তৃতীয় সোয়াতি‚ নিজে । তিনি বিশ্বের ধনকুবের শাসকদের মধ্যে অন্যতম ।

Sunday, June 18, 2017

প্রবালের ৭টি অজানা তথ্য

১। সমুদ্র সৈকত রক্ষা করে প্রবালপ্রাচীর: উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক মানুষের বসবাস। তাদের অধিকাংশই জানেন না, প্রবালপ্রাচীর সমুদ্র সৈকতকে ঘূর্ণিঝড়, ঢেউ, বন্যাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে, সেই সঙ্গে রক্ষা করে সৈকতের মানুষগুলোকে এবং তাদের সহায়-সম্পদ। 
২। অধিকাংশ প্রবালই রঙহীন: উজ্জ্বল রং প্রবালপ্রাচীরকে আকর্ষণীয় করে তোলে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, বেশিরভাগ প্রবালেরই কিন্তু কোনো রং নেই। প্রবালের গায়ে জমে থাকা নানা রঙের নানা প্রজাতির শ্যাওলার কারণেই প্রবালপ্রাচীরের রং এমন উজ্জ্বল দেখায়। 
৩। কিছু প্রবাল তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নেয়: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি অধিকাংশ প্রবালের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু এর মধ্যে আশার খবর হল, কিছু প্রবাল সমুদ্রের তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে টিকে থাকতে পারে। 
৪। সমুদ্রের নার্সারি প্রবালপ্রাচীর: পুরো পৃথিবীর সম্পূর্ণ জলজ পরিবেশের ১% এরও কম অংশ প্রবালপ্রাচীর। কিন্তু এই প্রবালপ্রাচীর ২৫% জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের বাসস্থান। এক চতুর্থাংশ সামুদ্রিক মাছের জন্য নার্সারির মতো কাজ করে প্রবালপ্রাচীর। 
৫। অর্থনৈতিক গুরুত্ব: ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, ভিয়েতনাম এবং চীনের এক মিলিয়নের বেশি মানুষ প্রবালপ্রাচীর বা তার কাছাকাছি এলাকায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রবালপ্রাচীর এলাকার মাছ থেকে বছরে ২.৪ বিলিয়ন ডলার আয় হয়। ২০১০ সালে পুরো বিশ্বে পর্যটন খাতে প্রবালপ্রাচীর এলাকা থেকে আয় ছিল ১১.৫ বিলিয়ন ডলার। 
৬। প্রাকৃতিক থ্রিডি প্রিন্টার: বর্তমানে থ্রিডি প্রিন্টার নিয়ে মেতে আছে গোটা দুনিয়া। মজার ব্যাপার হল, প্রবাল কিন্তু প্রাকৃতিক থ্রিডি প্রিন্টার। প্রবালের মধ্যে থাকা পলিপ সমুদ্রের পানি থেকে ক্যালসিয়াম সংগ্রহ করে তা কার্বন ডাই অক্সাইডের সঙ্গে মিশিয়ে চুনাপাথরের কঙ্কাল তৈরি করে যা প্রবালপ্রাচীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 
৭। প্রবাল মাংসাশী প্রাণী: প্রবাল কিন্তু মাংসাশী প্রাণী। তারা ছোট মাছ, ছোট জলজ প্রাণী, এমনকি ছোট ছোট কাঁকড়াও খেয়ে থাকে।

যে শিশুরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করে

১। সুমাত্রা, ইন্দোনেশিয়া
ছবিটি দেখে আঁতকে উঠছেন? মনে হচ্ছে, শিশুটি এখনি পানিতে পড়ে যাবে? ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা এলাকার শিশুরা প্রতিদিন এই রাস্তা ধরে স্কুলে যাতায়াত করে। নদীর ৩০ ফিট উপর স্টিলের তার ধরে বনের ভিতর দিয়ে সাত মাইল রাস্তা পাড় করে স্কুলে যেতে হয় সুমাত্রার শিশুদের। দুর্যোগের সময় দুর্ঘটনা এমনকি মৃত্যুর মতো ঘটনা এখানে ঘটে থাকে।
২। পিলি, চীন
চীনের পিলি গ্রামের প্রায় ৮০ জন শিশু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের ভিতর দিয়ে ১২৫ মাইল দূরে অবস্থিত স্কুলে যাতায়াত করে। শিশুদেরকে দেখাশোনা করার জন্য সহচর বা প্রহরী থাকে। 
৩। সিলাংকাপ, ইন্দোনেশিয়া
সিহেরং নদীর ব্রিজ ভেঙ্গে পড়ার পর থেকে সিলাংকাপ গ্রামের শিশুরা একটি পাতলা বাঁশের ভেলা দিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করে। ২০১৩ সালে ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর থেকে এইভাবে স্কুলে যাওয়া আসার পথ করে নিয়েছে তারা। 
৪। কলম্বিয়া
স্টিলের ক্যাবল দিয়ে রি নেগ্রো নদী এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত যুক্ত। আর এই ক্যাবল পাড় করে স্কুলে যাতায়াত করে শিশুরা। রাজধানী  বোগোটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই গ্রামে খুব কম সংখ্যক পরিবার বাস করে। ফট্রোগ্রাফার ক্রিস্টোফ অটো এই দুই ভাইবোনের (ডেসি মোরা এবং তার ভাই জামিদের) ছবি তোলেন। ডেসি মোরা তার ৫ বছরের ছোট ভাইটিকে থলের ভিতরে ঢুকিয়ে তারপর নদী পাড় করছে। 
৫। ঝং জিয়াওয়ান গ্রাম, দক্ষিণ চীন
ঝাং জিয়াওয়ান গ্রামের শিশুরা এই সরু মই বেয়ে পাহাড় অতিক্রম করে প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করে। 
৬। লেবাক, ইন্দোনেশিয়া
সিবাইলং নদীর ওপারে সাঙ্গিয়ান তানজুং গ্রামের শিশুরা ভাঙ্গা ব্রিজ পার হয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করে। আরেকটি পথে স্কুলে যাওয়া আসা করতে সময় লাগে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট। তারা ধীর গতিতে ভাঙ্গা ব্রিজটি অতিক্রম করে। 
৭। জানস্কার,  ভারতীয় হিমালয়
বরফের আস্তরের উপর দিয়ে হেঁটে প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া আসা করে হিমালয় গ্রামের শিশুরা। বরফ ভেঙ্গে পানিতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে এই পথে। 
৮। গুলু, চীন
পাহাড়ি গ্রাম গুলু শহরের শিশুরা এই পাহাড়ি আঁকা বাঁকা রাস্তা অতিক্রম করে স্কুলে যাওয়া আসা করে। 
৯। মেঘালয়, ভারত
বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রবণ এলাকা মেঘালয়, যেখানে প্রতি বছর ৪৬৭ ইঞ্চি বৃষ্টি হয়ে থাকে। বিগত কয়েক বছর ধরে, মাওসিনরাম গ্রামবাসী এবং তার আশে পাশের এলাকাবাসীরা মিলে রাবার গাছের শিকড় দিয়ে ব্রিজ তৈরি করেন। যা “জীবন্ত ব্রিজ” নামে পরিচিত। কাসীর শিশুরা প্রতদিন এই রাবার ব্রিজ অতিক্রম করে স্কুলে যাওয়া আসা করে। 

যে দেশ মাত্র ৫৬ মিনিটে চক্কর দেয়া যায়

দেশের বাসিন্দারা সারা দিনে নিজেদের দেশকে একবার নয়, অনেকবারই চক্কর লাগান! এ এক অদ্ভুত দেশ। ঝকঝকে নীল আকাশের নিচে অবস্থিত এই দেশটি পায়ে হেঁটে পুরোটা ঘুরতে লাগবে মাত্র ৫৬ মিনিট।ফ্রান্সের একেবারে পাশের দেশ মোনাকো। ফ্রান্স ঘিরে রেখেছে দেশটির তিনদিক। আর অন্য পাশে রয়েছে ইতালি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তের পর্যটককে আকর্ষণ করবেই এই দেশ। কিন্তু দেশটির আয়তন মাত্র ২.০২ বর্গ কিলোমিটার!  ২০১৫ সালে হওয়া আদশশুমারী অনুযায়ী, জনসংখ্যা মাত্র ৩৮,৪০০! আয়তনের দিক দিয়ে এই দেশ পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। তালিকায় ভ্যাটিকানের পরেই এর স্থান। যদিও আয়তনের তুলনায় এ দেশের জনঘনত্ব অনেকটাই বেশি। সেই দিক থেকে এই দেশ পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।পৃথিবীর সব থেকে ছোট নামের ভ্রমণস্থল, যাবেন নাকি একবার! মোনাকোর বাসিন্দারা সারা দিনে দেশকে একবার নয়, অনেকবারই চক্কর লাগান! দেশের বাসিন্দারা সবাই প্রায় ধনী। সেই কারণে এখানে ফর্মূলা ওয়ান কার রেসিং খুবই জনপ্রিয়। দারুণ ঝাঁ চকচকে সব ক্যাসিনো রয়েছে এখানে। এদেশের মানুষদের কোনও আয়কর দিতে হয় না।সব মিলিয়ে মোনাকো আয়তনে যতই ছোট হোক, পর্যটকদের কাছে তা দারুণ আকর্ষণীয়। এক ঘণ্টারও কম সময়ে যে দেশকে পুরোটা চক্কর কেটে ফেলা যায়, সেখানে আসতে তাই পর্যটকদের উৎসাহের কমতি নেই।