আজব পৃথিবী

Wednesday, April 20, 2016

বুলেট ট্রেন চলবে সাগরের নিচ দিয়ে

ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন চলবে সাগরের নিচ দিয়ে। এটি হবে দূরপাল্লার। ফলে ট্রেনযাত্রা হবে রোমহর্ষক। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে,  সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২০১৮ সালের শেষের দিকেই শুরু হয়ে যাবে এই পরিষেবা। গতিমান ট্রেন তথা জাপানী প্রযুক্তিতে তৈরি বুলেট ট্রেন প্রথমে যাত্রা শুরু করবে মুম্বাই এবং আমেদাবাদের মধ্যে।দীর্ঘ ৫০৮ কিলোমিটার যাত্রাপথের মধ্যে মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার ২১ কিলোমিটার রেলপথ থাকবে আরব সাগরের নীচে। নির্মাণকারী সংস্থা এমন তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, চলতি বছরের শেষের দিকে শুরু হবে ওই প্রকল্পের কাজ। প্রকল্পের মোট খরচ বরাদ্দ করা হয়েছে ৯৭,৬৩৬ কোটি টাকা রুপি। মোট খরচের ৮১শতাংশ অর্থ ঋণ হিসেবে দেবে জাপান।  ৫০ বছরের জন্য নেওয়া ওই ঋণের ক্ষেত্রে ১৬তম বছর থেকে পরিশোধ করা শুরু হবে এবং সুদের হার ০.১ শতাংশ।

Tuesday, April 19, 2016

পাখিদের দাঁত নেই কেন?

মানুষ সহ বন্য অনেক প্রাণির দাঁত রয়েছে। কিন্তু পাখিদের দাঁত নেই। এটা প্রকৃতির রহস্য। এ নিয়ে গবেষণাও কম হয়নি। তবে উত্তর খুঁজতে খুঁজতে অনেক গবেষকেরই দাঁত পড়ে গেছে, তবুও রহস্যভেদ হয়নি। অবেশেষে রহস্য থেকে বেড়িয়ে এলো বৈজ্ঞানিক সত্য।১১৬০ লক্ষ বছর আগে পাখিদের মধ্যে ৪৬ প্রজাতির দাঁত ছিল। পাখিদের পূর্বপুরুষ ডায়নোসর। জন্ম লগ্নে পাখিদের দাঁত ছিলই। তবে বিবর্তন ও তাদের জীবনের লড়াইয়ে দাঁতের ব্যবহার আসতে আসতে কমতে থাকে। পাখিরা খাওয়ার জন্য আংশিক ঠোঁটের ব্যবহার করেন। এদের দাঁত অবলুপ্তির পথে চলে যায়। আগামী দিনে পাখিদের ঠোঁটেও কোনও বিবর্তন আসবে কিনা, তা নিয়েও গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

Monday, April 11, 2016

সবচেয়ে বেশি টিভি চ্যানেলের সংখ্যা যে দেশে

রাশিয়ার আয়তন প্লুটো গ্রহের থেকেও বেশি। এটা তো সবারই জানা। কিন্তু এটা জানেন কী, এই রাশিয়াতেই বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিভি চ্যানেল আছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় প্রকাশ রাশিয়ায় ৭ হাজারেরও বেশি টিভি চ্যানেল আছে। তার মধ্যে বিনোদনমূলক চ্যানেলের সংখ্যাই নাকি ২ হাজারেরও বেশি।তারপর আছে কিডস চ্যানেল, মুভি চ্যানেল, ফ্যাশান অ্যান্ড লাইফ স্টাইল চ্যানেল। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল খবরের চ্যানেল। এ ছাড়া দেশের ৩৫টি ভাষায় রয়েছে নানা আঞ্চলিক চ্যানেল। রাশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল টিএনটি, গড়ে প্রতিদিন যার দর্শক ১৩ লক্ষ। জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ চিনে টিভি চ্যানেলের সংখ্যা রাশিয়ার প্রায় অর্ধেক। ভারতে স্বীকৃত টিভি চ্যানেলের সংখ্যা ১৪০০-এর মত।
কোন দেশে কটি টিভি চ্যানেল আছে
রাশিয়া-৭,৩০৬টি
চিন-৩,২৪০টি
আমেরিকা-২,২১৮টি
ভারত-১,৪০০টি
ইউক্রেন-৬৪৭টি

সেতু নির্মাণ মাত্র ৪৩ ঘণ্টায়

চায়না বরাবরই অসাধারণ কীর্তির জন্য জগত বিখ্যাত। এবার ব্যতিক্রমী এক কাজ করে আবারও খবরের শিরোনামে তারা। ইতিপূর্বে মাত্র ১৯ দিনে ৫৭ তলা আকাশচুম্বী ভবন নির্মাণ করে রেকর্ড করেছিলেন তারা। এখন আবার সেই রেকর্ড ভঙ্গ করে মাত্র ৪৩ ঘণ্টার মাঝে একটি সেতু নির্মাণ করে ফেলেছেন!চীনা অভূতপূর্ব ৪৩ ঘন্টার মধ্যে একটি সম্পূর্ণ ক্রিয়ামূলক সেতু নির্মাণ পরিচালিত করেছে। একটি ভিডিওতে আপনি তাদের এই কাজ সম্পূর্ণভাবে দেখতে পারবেন। সুপার - মানব কর্মীরা মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে বেইজিংয়ের সানিউন সেতুর পুরাতন কাঠামো পুনর্গঠন করে নতুন করে তৈরি করেছেন। তারপর তারা ফাঁক সেতু কংক্রিট এর একটি বৃহদায়তন টুকরা এনে এর উপর সংযুক্ত করেন।প্রথমবারের মতো এবার চীনা কর্মীরা ‘ইন্টিগ্রেটেড প্রতিস্থাপন পদ্ধতি’ নামের একটি নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে এই কাজ সম্পন্ন করেছেন। এতে ১৩০০ টন উপাদানের প্রয়োজন হয়েছে।

Thursday, April 7, 2016

ভয়ঙ্কর সুন্দর’ বাড়ি

এমনিতে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলেন আর শিল্পসাধনায় বলেন, মানুষ কোনো কোনো সময় নিজের মধ্যে থাকতে ভালোবাসেন। মাঝে মধ্যে একদিন দুদিনের জন্য হয়তো সমুদ্রের পাড়ে বেড়ানোর নাম করে এমন বাড়িতে বা সুনসান কোনো রেস্ট হাউসে কেউ কেউ থাকেন না, তাও নয়।তবে তারপেই আবার ফেরেন নগর জীবনে। বাড়ি থেকে বেরোলেই সড়ক, সড়কের ওপর বাস, পাশেই শপিংমল। কিন্তু সারা জীবনটাই যদি ওই গেস্ট হাউসের মতো কোনো বাড়িতে একাকী কাটাতে হয়? একঘেয়েমি লাগবে কি?
কেউ কেউ হয়তো একাকী সময় নিজের জগতে ডুবে গিয়ে কল্পনা করেন এমনটা। কেমন হতে পারে একাকি জগতের বাড়িগুলো? দেখে নিন কয়েকটি ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’ বাড়ি।
কাতশিক পিলার-ইমেরেতি, জর্জিয়া: ১৩-০ ফুট উঁচু পিলারের উপর অবস্থিত এই বাড়ি।
লুকা ভুরেইচ হাট: আল্পস পর্বতের ফরোনন বুইনজের উপর এই ছোট্ট কুঁড়েঘর।
দ্য ক্রিস্টাল মিল-ক্রিস্টাল কলরডো, মার্কিন যক্তরাষ্ট্র: ১৮৯০ সালে কলরডো নদীর উপর তৈরি হয়েছিল এই পাওয়ার প্লান্ট। 
কাসা দো পেনেগো-ফাপে পাহাড়, পর্তুগাল: ১৯৭৪ সালে চারটি পাথর দিয়ে তৈরি হয়েছিল এই বাড়ি।
ভেস্তম্যানিয়েখার আর্কিপেলাগো: আইসল্যান্ডের এই বাড়ি বিশ্বের সবচেয়ে দুর্গম বাড়ি হিসেবে পরিচিত।
মেটেরোয়া-থেলসে, গ্রিস: আকাশে ঝুলন্ত এই পাহাড়ের কোলের বাড়িগুলোয় কি সত্যিই কেউ থাকেন?
চেজ প্যাভিলিয়ন-মাউন্ট হুয়া, চায়না: বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ উচ্চতার এই পাহাড়ের কোলে কে থাকেন?
হাউজ অন দ্য রিভার: সার্বিয়ার দ্রিনা নদীর উপর এই বাড়ি।
ত্রিস্তান দা কুনহা-ত্রিস্তান, আটলান্টিক সমুদ্র: পাহাড়ের কোলে বাড়িগুলো দেখতে পাচ্ছেন? ২০১৪ সালে এই ২৯৭ জন থাকতেন এই আইল্যান্ডে
ম্যাকমুর্ডো স্টেশন, অ্যান্টার্কটিকা: সাদা বরফে ঢাকা পাহাড়ের কোলে রঙিন বাড়িগুলো দেখতে পাচ্ছেন? গ্রীষ্ককালে প্রায় ১,২০০ মানুষ আশ্রয় নেন এখানে।

বিশ্বের যে দেশে সেনাবাহিনী নেই

আমেরিকান সামোয়া: জনসংখ্যা মোটে ৫৫ হাজার ৫১৯। দেশ তো কোন ছাড়। আমাদের কলকাতার তুলনাতেও নেহাতই পুঁচকে সে। এই দেশের কাছে রয়েছে ছোট্ট একটি পুলিশ বাহিনী আর কোস্টাল ফোর্স।
মার্শাল আইল্যান্ড: সেনাবাহিনীর দরকার পড়ে না এই দেশেরও। জনসংখ্যা ৫৬,০৮৬। পুলিশ বাহিনী, সমুদ্রতট সুরক্ষা বাহিনী, অভ্যন্তরীন সুরক্ষা বাহিনী থাকলেও সেনাবাহিনী নেই এদের।
আন্দোরা: ৭৬ হাজার ছেলেপুলের দেশ আন্দোরায় পুলিশ ফোর্স আছে ঠিকই কিন্তু চোর-ডাকাত, খুনি-বদমাস ধরার প্রয়োজন পড়ে না তাঁদের। বরং তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন পর্যটকদের আতিথেয়তায়।
ফেডারেন্টেড স্টেটস অফ মাইক্রোনেশিয়া: এক লাখের একটু বেশি মানুষ বাস করেন এই দেশে। সুখী, শান্ত এই দেশেরও সেনাবাহিনী নেই। চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এঁরা আমেরিকার সেনা ব্যবহার করতে পারবে।
গ্রেনাডা: ১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ থাকেন ছবির মতো সুন্দর এই দেশে। সেনাবাহিনী নেই এখানেও। যদিও দেশের ভিতরের সুরক্ষার জন্য রয়েছে রয়্যাল গ্রেনাডা পুলিশ ফোর্স। আর আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য ক্যারাবিয়ান রিজিওনাল সিকিওরিটি সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে এরা।
কিরিবাতি: যদিও দরকারে এরা অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বাহিনী ব্যবহার করতে পারে কিন্তু নিজেদের কোনও সেনাবাহিনী নেই দেড় লাখ জনবসতির দেশ কিরিবাতির কাছে।
সেন্ট লুসিয়া: ১ লাখ ৮৫ হাজার জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ১১৬ জনের একটি সুরক্ষা দফতর রয়েছে এই দেশের কাছে। তবে তার মধ্যে মোটেও নেই কোনও সেনাবাহিনীর বুটের আওয়াজ।
সোলোমন আইল্যান্ড: সেনাবাহিনী রাখার প্রয়োজন বোধ করে না এই দেশও। ৫ লাখের একটু বেশি সন্তান-সন্ততি নিয়ে সুখে আছে সোলোমন।
কোস্টা রিকা: ৪ লাখ ৭১ হাজার জনগণের এই দেশ। সেনাবাহিনী ছাড়াও বেশ খোশ মোজাজে রয়েছে কোস্টা রিকা।

Wednesday, April 6, 2016

কুকুর পেল সর্বোচ্চ সেনা পদক

লুক্কা নামের ১২ বছর বয়সী জার্মানের এক কুকুর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন কোপের হয়ে ছয় বছর দেশের কাজে সেবা করেছেন। কিন্তু দেশ সেবায় নিয়োজিত এই কুকুর আফগানিস্তানে রাস্তার পাশের এক বোমা হামলার কারণে নিজের পা হারিয়ে ফেলেন।লুক্কা ৬৭তম প্রাণী যে এই পদক পেয়েছেন। ১৯৪৩ সাল থেকে এই পদক দেয়ার প্রথা চলে আসছে। লুক্কা যখন যেখানে বোমা খুজতে গিয়েছেন সে সফল হয়েছে। তিনি কর্মরত অবস্থায় তার আশেপাশের কোন মানুষের বোমার কারণে ক্ষতি হয় নি। ২০১২ সালে লুক্কার পা হারানোর পর বুকে অনেক ব্যথা শুরু হয়। তারপর থেকে তাকে চাকরি থেকে অবসর দেয়া হয়।লুক্কার মালিক ক্রিস উইলিংহাম লুক্কার সাথে লন্ডনে যেয়ে এই পদক গ্রহণ করেন। ক্রিস বলেন, ‘লুক্কা অনেক বুদ্ধিমান, অনুগত এবং একটি অনুসন্ধান কুকুর হিসাবে আশ্চর্যজনক ড্রাইভ ছিল। তার কারণে আমি আজ আমার পরিবারের সাথে জীবিত বাস করছি। আমি তার সাথে থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। আমি তার অবসরে খুব ভালভাবে রাখতে চাই।’লুক্কা এবং ক্রিস একসাথে ইরাকে অনেক অভিযান চালিয়েছেন। ২০১১ সালে তাদের আফগানিস্তানে ট্রান্সফার করা হয়। আফগানিস্তানে তারা ৭৫ বার টহল করে বোমা আবিষ্কার করেন। কিন্তু ২০১২ সালে সেই বোমার আঘাতে লুক্কার এক পা হারায়।