ভিয়েতনামে একজোড়া যমজ শিশুর মধ্যে অসামাঞ্জস্যতা দেখা দেয়ায় সন্দেহবশত তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। এরপর বেরিয়ে পড়ে বিস্ময়কর এক তথ্য। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল মতে, ঐ দুই যমজ শিশুর পিতা ভিন্ন দুই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলের হোয়া বিন প্রদেশে। ২ বছর বয়সি এই দুই শিশুর একজনের মাথায় ঘন ঢেউ খেলানো চুল, অন্যজনের মাথায় পাতলা সমান চুল। এখান থেকেই মূলত সন্দেহের উৎপত্তি হয়। ভিয়েতনাম নিউজ জানিয়েছে, সন্দেহ হওয়ায় এই যমজ শিশুর বাবা এবং মা দুজনেই ডিএনএ পরীক্ষা করেন।পরীক্ষার আগে তারা ধারণা করেছিলেন, হয়তো হাসপাতালে ভুল করে তাদের যমজ একটি সন্তান রেখে, অন্য কোনো শিশুকে নিয়ে এসেছিলেন তারা।কিন্তু হানিও জেনেটিক অ্যানালিসিস এন্ড টেকনোলজি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা করার পর ফলাফলে দেখা যায়, এই দুই সন্তানের মা একজনই। কাজেই হাসপাতালে ভুল করে শিশুকে ফেলে আসার সন্দেহ বাদ।কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, ৩৪ বছর বয়স্ক স্বামী কেবল এক সন্তানের জনক। ফলে ডাক্তাররা একে অভিহিত করছেন বিরল ‘বাই প্যারেন্টাল’ ঘটনা বলে। এ ধরনের ঘটনা গোটা ভিয়েতনামে এই প্রথম ঘটেছে।নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডক্টর কেইথ এডেলম্যান সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে বলেছেন, দুইবার যৌন মিলনের মাধ্যমে কোনো নারীর পক্ষে একইসাথে বাই প্যারেন্টাল যমজ গর্ভধারণ করা সম্ভব। নারীদের ডিম্বাণুর জীবনকাল ১২ থেকে ৪৮ ঘণ্টা। অথচ একটি শুক্রাণুর জীবনকাল ৭ থেকে ১০ দিন। এই সময়ের মধ্যেই হয়তোবা আরেকটি ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়েছে।
Tuesday, March 8, 2016
Sunday, March 6, 2016
দীর্ঘতম গুহা
Saturday, March 5, 2016
বাঘ, ভালুক আর সিংহ ৩ বন্ধু
১৫ বছর ধরে বন্ধু ওরা। একেবারে অন্তরঙ্গ বন্ধু। দীর্ঘ এই সময়টি ধরে একবারের জন্যও একজন ছেড়ে যায়নি অন্যকে। ওদের তিনজনের নাম বালু, লিও এবং শের খান। বসবাস যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে। নাহ, আমি কোনো মানুষের কথা বলছি না। বলছি তিনটি হিংস্র প্রাণির কথা। এর একটি মার্কিন কালো ভালুক (বালু), আফ্রিকান সিংহ (লিও) এবং বাংলাদেশের রয়েল বেঙ্গল জাতের বাঘ (শের খান)। অবিশ্বাস্য হলেও গত ১৫ বছর ধরে জর্জিয়ার একটি অভয়ারণ্যে একসাথে বাস করে আসছে ওরা। প্রাণিগুলোর বয়স যখন এক বছরের কম তখন জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ‘নোয়া‘স আর্ক অ্যানিমেল শেল্টারে’ নিয়ে আসা হয় ওদের। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা অঙ্গরাজ্যের একটি বাড়ি থেকে ২০০১ সালে পুলিশ ওই প্রাণিগুলোকে উদ্ধার করার পর এখানে নিয়ে আসা হয়। তখন থেকেই কর্তৃপক্ষ ওদের একসঙ্গে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। আর সেই থেকে বন্ধু ওরা।
নোয়া’স আর্কের সহাকারী পরিচালক ড্যানি স্মিথ বলেন, আমরা তাদের আলাদা রাখতে পারতাম, কিন্তু সে সময় তারা একটি পরিবারের মতো এসেছিল। যে কারণে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ তাদের একত্রে রাখারই সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের জানা মতে এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে এই তিনটি হিংস্র পশুকে একত্রে রাখা সম্ভব হয়েছে। প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে পর্যটকরা এদের বন্ধুত্বের সাক্ষী।এই দীর্ঘ সময়ে তাদের একবারই আলাদা করা হয়েছিল যখন ভাল্লুক বালোর সংক্রামণ চিকিৎসা করতে বাম পা থেকে জিন খুলতে অস্ত্রপ্রচারের দরকার হয়েছিল।সে সময় শের খান এবং লিওকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন তারা বালোর ফিরে আসারই অপেক্ষা করছে। একটু বড় হওয়ার পরে তাদের ভিন্ন জায়গায় রাখার সামর্থ্য আমাদের ছিল না। কিন্তু এখন তাদের দেখলেই মনে হবে যেন তারা একই মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া তিন ভাই। তাদের এ বন্ধন এত বেশি শক্ত যে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হলে তারা বন্ধুশূন্য হয়ে পড়বে।
তিনি আরো বলেন, বালোর সঙ্গে শের খানেরই বেশি ভাব। কারণ লিও দিনের বেশিটা সময় ঘুমিয়ে কাটাতেই পছন্দ করে। আমেরিকান এই কালো ভাল্লুক বাংলাদেশি বাঘের ঘাড়ে হাত দিয়ে এমনকি গৃহপালিত বেড়ালের মতো জিহ্বা দিয়ে চেটেও আদর করে, এ দৃশ্য দেখলে সত্যিই অদ্ভুত এবং জাদুর মতো মনে হয়।আবার লিও ঘুম থেকে জাগলে ক্ষুধা পাওয়ার আগে পর্যন্ত তিনজন খেলতে থাকে। তিন শিকারি প্রাণীরই অন্যকে হত্যা করার ক্ষমতা থাকলেও অশ্চর্যজনকভাবে তারা একে অন্যের প্রতি খুবই সহনশীল আচরণ করে।শের খান একটু গম্ভীর প্রকৃতির, নড়াচড়া কম করতে পছন্দ অথচ বালো তাকে দক্ষ হাতে পরিচালানা করে ঠিক খেলার সঙ্গী বানিয়ে নেয়। এখন নোয়া’র আর্কই যেন তাদের বাড়ি হয়ে উঠেছে। আর কখনও হয়তো বা তারা আলাদা থাকাতেও পারবে না।ড্যানি স্মিথ আরও বলেন, তারা একসঙ্গেই ঘুমায় বলে তাদের থাকার ঘরটি খুবই মজবুত করে তৈরি করা হয়েছে। থাকার ঘরের সঙ্গে আমরা একটি চৌবাচ্চার ব্যবস্থাও করেছি। কারণ শের খান এবং বলো দুজনই পানিতে নামতে ভালোবাসে।
Monday, February 29, 2016
পুরুষ নেই যে গ্রামে
অদ্ভূত ওই গ্রামটির অবস্থান ইরানে। এর বাসিন্দাদের সবাই নারী ও শিশু। কোনো পুরুষ নেই। থাকবে কি করে বলুন! গ্রামের সব পুরুষদের যে ধরে ধরে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়েছে তেহরান সরকার। ফলে গোটা গ্রাম পুরুষ শূণ্য হয়ে গেছে। সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে মানবাধিকার গোষ্ঠী ‘Reprieve’।এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন দেশটির নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহিনদোখত মোলাভেরদি। তিনি ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘মেহের’কে বলেছেন, ‘সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশ দুটির সীমান্তবর্তী অংশে আমাদের একটি গ্রাম রয়েছে যেখানে কোনো পুরুষ নেই। মাদক সংক্রান্ত অপরাধে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, ওই গ্রামের শিশুরা পর্যন্ত মাদক পাচারের কাজ করে থাকে। তবে গ্রামের পুরুষগুলোকে একই সময়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে, না ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সেটি অবশ্য স্পষ্ট নয়। এ ব্যাপারে ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহিনদোখত মোলাভেরদি কিছু জানাননি।বিশ্বে মৃত্যুদণ্ডের শীর্ষে থাকা দেশগুলোর অন্যতম হচ্ছে ইরান। এ তালিকায় তাদের অবস্থান দ্বিতীয় স্থানে। দেশটিতে যে সকল অপরাধীকে ফাঁসি দেয়া হয়, তাদের দুই তৃতীয়াংশই মাদক সংক্রান্ত মামলার আসামী। সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশ দুটির অবস্থান আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়। ওই অঞ্চলটিকে বলা হয় মাদক চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য। ফলে ইরানি ওই প্রদেশ দুটির লোকজন সহজেই এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ে।দেশটিতে গতবছর মোট ৯৪৭ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল। এদের মধ্যে প্রায় ৬শ জনই মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। এ বছর ইতিমধ্যেই ৩১ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। আর এই ফাঁসির কারণেই ওই গ্রামটি পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে।
Saturday, February 27, 2016
দেশ ২ গ্রাম ১ রাণী ৬০
পাহাড়ে ঢাকা একটা গ্রাম। জনসংখ্যা বলতে খুব বেশি নেই। তবে রয়েছে পরিপাটি সাজানো কয়েকটি বাড়ি। এ গ্রামের বাসিন্দাদেরও আছে বাড়তি সুবিধা। ভারতের বাসিন্দা হলেও অনায়াসেই যেতে পারেন মিয়ানমারেও। চোরাপথে, লুকিয়ে চুরিয়ে নয়। প্রকাশ্যেই সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেন। এ জন্য কোনো ভিসার প্রয়োজন পড়ে না।অবাক হবার অনেক বাকি আছে এখনো। এ গ্রামের রাজার নাম অঙ্গ নগোবাঙ্গ। সবমিলিয়ে ৭৫টি গ্রাম নিয়ে তার রাজত্ব। যেহেতু, তার প্রাসাদ ছুঁয়ে সীমান্ত গিয়েছে, তাই রাজপরিবারের সদস্যদের খেতে হয় মায়ানমারের দিকে, শুতে হয় ভারতের দিকে।
এই রাজার পরিবার খুব ছোট নয়। শুধু রানির সংখ্যাই ৬০! না, ছাপার ভুল নয়। এক রাজপুত্র রয়েছেন মায়ানমার সেনাবাহিনীতে। শুধু এই রাজপরিবার নয়, রাজার প্রাসাদ যেখাবনে, সেই গোটা লৌঙ্গা গ্রামের সবাই পেয়েছেন দ্বৈত নাগরিকত্ব। দু-দেশেই অবাধ গতিবিধি।গল্প বলে মনে হলেও, ষোলোআনার ওপর আঠারোআনাই সত্যি। আজব এ গ্রামটির নাম লৌঙ্গা, নাগাল্যান্ডের এক গ্রাম। এখানে বাস করে কোন্যাক উপজাতি। এ গ্রামের অর্ধেকটা ভারতে, বাকি অর্ধেক মিয়ানমারের অংশ। যে কারণে এই গ্রামের বাসিন্দাদের রয়েছে দ্বৈত নাগরিকত্ব। এই উপজাতিদের রাজার প্রাসাদের সামনে দিয়েই গিয়েছে দু-দেশের বিভাজন রেখা, অর্থাত্ সীমান্ত।
Wednesday, February 24, 2016
অপরূপ ব্রাজিল
ভ্রমণের তালিকায় ব্রাজিল হতে পারে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। পাহাড়, জলপ্রপাত, সমুদ্র, স্থাপত্য- কঈ নেই এখানে? এক নজরে দেখে নিন ব্রাজিলের মূল আকর্ষণগুলো।
ইগাজু ফলস
ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার সীমান্তে অবস্থিত ইগাজু ফলস এক অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের আঁধার। এটি প্রাকৃতিক সপ্তমাশ্চর্যের একটি। ইগাজু আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া ফলস এবং আমেরিকার নায়াগ্রা থেকেও বিস্তৃত।
Jericoacoara aka- দ্যা ব্রাজিলিয়ান মালদিভস
ব্রাজিলে গেলে প্রথমেই যাওয়া উচিৎ এখানে। পৃথিবীর সবচেয়ে নীল আর সবচেয়ে সবুজ জলের সাথে দেখা হবে আপনার এখানে। কাঠের খুটিতে বাঁধা দোলনায় শুয়ে উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের সৌন্দর্য। কাছেই আছে চমৎকার বালিয়াড়ি আর পাথুরে বীচ।
অরলিন্ডার হিস্টোরিক সেন্টার
ব্রাজিলের পারনাম্বুকোর অরলিন্ডা একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ জায়গা। এখানে ইতিহাসের সংরক্ষণ শুরু হয়েছে ১৯৩০ সালে, যখন মেজর মনুমেন্ট জাতীয় ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়।
রিও গ্রান্ডে ডু নর্টে
ব্রাজিলে সমুদ্রসৈকত আছে ডজনখানেক। কিন্তু রিও গ্রান্ডে ডু নর্টে আর দশটা বীচের মত শুধু সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত বা সার্ফিং গেটওয়ে নয়। আরও বেশি কিছু। এটি বিখ্যাত এর বালুকাবেলার জন্য। এখানে পাওয়া যায় চমৎকার সব লবণ দিয়ে তৈরি পণ্যসামগ্রী। এখানে আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যাশিও বৃক্ষ। এলাকাটিকে বলা হয় ব্রাজিলের বাহু (Brazil's elbow), যা আটলান্টিক সমুদ্রতীরে একটি রোমাঞ্চকর আবহ তৈরি করে।
Chapada Diamantina
ব্রাজিলের এই জায়গাটির কথা হয়ত আপনি জানেনই না। এটি ব্রাজিলের মধ্য পশ্চিমে অবস্থিত, বাহিয়া রাজ্যের একটি অঞ্চল। ঐতিহাসিক সালভাদর থেকে মাত্র কয়েক ঘন্টার দূরত্বে চাপাদা দাইমান্তিনার অবস্থান। তাই সালভাদর গেলে একই সাথে বেড়িয়ে আসুন এখানেও। এখানে দেখবেন পর্বতচূড়া যা মাইলের পর মাইল বিস্তৃত হয়েছে। অবাস্তব স্বচ্ছ নীল গুহা কমপ্লেক্স যা প্রলুব্ধ করবে এর মধ্যে চড়ে বেড়াতে।
সালভাদর
সালভাদর আমেরিকার প্রাচীনতম শহর এবং দূর্ভাগ্যজনক ভাবে প্রথম দাস বাণিজ্যের স্থানও এটি। মাইকেল জ্যাকসনের মিউজিক ভিডিও চিত্রিত হওয়ার পর এখানকার ঐতিহাসিক পিবল স্ট্রীট বিখ্যাত হয়ে যায়। ভ্রমণে আরও দেখতে পারেন এখানকার ঔপনিবেশিক স্থাপত্যগুলো এবং উজ্জ্বল রঙ এর দালান কোঠা। পথে বেড়াতে বেড়াতে লেকার্ডা এলেভেটরটি অবশ্যই দেখে আসবেন।
CORCOVADO পর্বতে খ্রিস্টের দ্য রিডিমার মূর্তি
এটাই সম্ভবত ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পর্যটক আকর্ষণ। যীশু খৃষ্টের ভাস্কর্য্যটি রিও ডি জেনারিও তে অবস্থিত। এটির দৈর্ঘ্য ৯৮ ফুট এবং বিশ্বের ২য় দীর্ঘ ভাস্কর্য এটি। সকল পর্যটক ভাস্কর্যটির শীর্ষে উঠেতে পারেন এবং এখান থেকে রিও ডি জেনারিওর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারেন।
ইগাজু ফলস
ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার সীমান্তে অবস্থিত ইগাজু ফলস এক অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের আঁধার। এটি প্রাকৃতিক সপ্তমাশ্চর্যের একটি। ইগাজু আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া ফলস এবং আমেরিকার নায়াগ্রা থেকেও বিস্তৃত।
Jericoacoara aka- দ্যা ব্রাজিলিয়ান মালদিভস
ব্রাজিলে গেলে প্রথমেই যাওয়া উচিৎ এখানে। পৃথিবীর সবচেয়ে নীল আর সবচেয়ে সবুজ জলের সাথে দেখা হবে আপনার এখানে। কাঠের খুটিতে বাঁধা দোলনায় শুয়ে উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের সৌন্দর্য। কাছেই আছে চমৎকার বালিয়াড়ি আর পাথুরে বীচ।
অরলিন্ডার হিস্টোরিক সেন্টার
ব্রাজিলের পারনাম্বুকোর অরলিন্ডা একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন সমৃদ্ধ জায়গা। এখানে ইতিহাসের সংরক্ষণ শুরু হয়েছে ১৯৩০ সালে, যখন মেজর মনুমেন্ট জাতীয় ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়।
রিও গ্রান্ডে ডু নর্টে
ব্রাজিলে সমুদ্রসৈকত আছে ডজনখানেক। কিন্তু রিও গ্রান্ডে ডু নর্টে আর দশটা বীচের মত শুধু সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত বা সার্ফিং গেটওয়ে নয়। আরও বেশি কিছু। এটি বিখ্যাত এর বালুকাবেলার জন্য। এখানে পাওয়া যায় চমৎকার সব লবণ দিয়ে তৈরি পণ্যসামগ্রী। এখানে আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যাশিও বৃক্ষ। এলাকাটিকে বলা হয় ব্রাজিলের বাহু (Brazil's elbow), যা আটলান্টিক সমুদ্রতীরে একটি রোমাঞ্চকর আবহ তৈরি করে।
Chapada Diamantina
ব্রাজিলের এই জায়গাটির কথা হয়ত আপনি জানেনই না। এটি ব্রাজিলের মধ্য পশ্চিমে অবস্থিত, বাহিয়া রাজ্যের একটি অঞ্চল। ঐতিহাসিক সালভাদর থেকে মাত্র কয়েক ঘন্টার দূরত্বে চাপাদা দাইমান্তিনার অবস্থান। তাই সালভাদর গেলে একই সাথে বেড়িয়ে আসুন এখানেও। এখানে দেখবেন পর্বতচূড়া যা মাইলের পর মাইল বিস্তৃত হয়েছে। অবাস্তব স্বচ্ছ নীল গুহা কমপ্লেক্স যা প্রলুব্ধ করবে এর মধ্যে চড়ে বেড়াতে।
সালভাদর
সালভাদর আমেরিকার প্রাচীনতম শহর এবং দূর্ভাগ্যজনক ভাবে প্রথম দাস বাণিজ্যের স্থানও এটি। মাইকেল জ্যাকসনের মিউজিক ভিডিও চিত্রিত হওয়ার পর এখানকার ঐতিহাসিক পিবল স্ট্রীট বিখ্যাত হয়ে যায়। ভ্রমণে আরও দেখতে পারেন এখানকার ঔপনিবেশিক স্থাপত্যগুলো এবং উজ্জ্বল রঙ এর দালান কোঠা। পথে বেড়াতে বেড়াতে লেকার্ডা এলেভেটরটি অবশ্যই দেখে আসবেন।
CORCOVADO পর্বতে খ্রিস্টের দ্য রিডিমার মূর্তি
এটাই সম্ভবত ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পর্যটক আকর্ষণ। যীশু খৃষ্টের ভাস্কর্য্যটি রিও ডি জেনারিও তে অবস্থিত। এটির দৈর্ঘ্য ৯৮ ফুট এবং বিশ্বের ২য় দীর্ঘ ভাস্কর্য এটি। সকল পর্যটক ভাস্কর্যটির শীর্ষে উঠেতে পারেন এবং এখান থেকে রিও ডি জেনারিওর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারেন।
বিশ্বের সেরা শহর ভিয়েনা
বসবাসের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে সেরা শহর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। বিশ্বের শহরগুলোর জীবনযাত্রার মানের ওপর নির্ভর করে আন্তর্জাতিক এক জরিপ এ তথ্য জানিয়েছে। তবে ওই তালিকায় শীর্ষ ১শ’র মধ্যেও ভারতীয় কোনো শহর জায়গা করে নিতে পারেনি। ২শ ৩০টি শহরকে নিয়ে মার্সার কুয়ালিটি অফ লাইফ স্টাডি তাদের ১৮তম জরিপ চালিয়েছে।ওই জরিপ জানিয়েছে ভিয়েনাতে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ বসবাস করে। আর এটি বিশ্বের সবচেয়ে সেরা শহর। এরপরেই আছে জুরিখ, অকল্যান্ড, মিউনিখ এবং ভেনকুভার।এদিকে সেরা ৩০য়ের মধ্যেও নেই বিশ্বের জনপ্রিয় শহর লন্ডন, প্যারিস বা নিউইয়র্ক। তারা শীর্ষ ৩০য়েও জায়গা করতে পারেনি। অপরদিকে বাগদাদ শহরের নামটি রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায়।এছাড়া ওই জরিপে ভারতের হায়দ্রাবাদ রয়েছে ১৩৯য়ে, পুনে ১৪৪, ব্যাঙ্গালুর ১৪৫, চেন্নাই ১৫০, মুম্বাই ১৫২, কলকাতা ১৬০ এবং দিল্লি রয়েছে ১৬১তে। অর্থনৈতিক অবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বসবাসের জায়গা এবং পরিবেশ সবকিছুর ওপর ভিত্তি করেই ওই জরিপ চালানো হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
হেলেনা নামে ভিয়েনার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তিনি সিটি সেন্টারে ১শ স্কোয়ার মিটারের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বাস করেন। তাকে এজন্য মাসে ৮শ ইউরো (৬২৫ পাউন্ড) পরিশোধ করতে হয়। আর একারণেই তার শহর বসবাসের জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থান দখল করেছে এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। তার মতে ভিয়েনাকে অন্যান্য শহরের চেয়ে শীর্ষে রাখার জন্য হাউজিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চমানের বিনিয়োগে সোস্যাল ডেমোক্রেটিক সরকারের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণেই তাদের শহরের জীবনযাত্রা বিশ্বের অন্যান্য শহরের চেয়ে অনেক উন্নত বলে মনে করেন তিনি।
Subscribe to:
Posts (Atom)
















