আজব পৃথিবী

Wednesday, March 15, 2017

জঙ্গলে আকর্ষণীয় হোটেল

আমাজন জঙ্গলে এমন সুন্দর একটি হোটেল হতে পারে তা বোধহয় কেউ চিন্তাও করেনি। কিন্তু এবার সত্যিই এমন একটি খবর সকলকে চমকে দিয়েছে।জ্যাক কস্তু নামে এক ব্যাক্তি ছিলেন একজন জাত পর্যটক। ঘুরে বেড়াতে ভীষণ ভালোবাসতেন তিনি। একবার তিনি ঘুরতে এলেন আমাজনে। তখনই তার মাথায় এলো একেবারে ভিন্ন ধরণের একটা হোটেল বানানোর ভাবনা। তিনি পরিকল্পনা করলেন হোটেলটির অবস্থান হবে একদম আমাজন জঙ্গলের ভেতরে।ওই হোটেলে থাকার ব্যবস্থা থাকবে মাটি থেকে অনেক ওপরে অর্থাৎ গাছের গায়ে। পুরো হোটেলের মধ্যে আমাজনের স্থানীয় জীবনযাত্রার একটা ছাপও প্রতীয়মাণ হবে। তবে আরাম-আয়েশেরও কোনো অভাব থাকবে না হোটেলে।

তার এমন একটি ভাবনার কথা বললেন স্থানীয় এক হোটেল ব্যবসায়ীকে। ভাবনাটা তারও বেশ পছন্দ হয়ে গেলো। খরচ জোগাতেও রাজি হয়ে গেলেন তিনি। তারপর দ্রুতই বাস্তবায়িত হলো জ্যাক কস্তুর স্বপ্নের সেই পরিকল্পনাটি। সেই ১৯৮৫ সালের কথা। আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো সেই বিশেষ হোটেলটি।আমাজন জঙ্গলের ভেতরে অবস্থিত এই হোটেলটির নাম দেওয়া হলো ‘আরিয়াউ আমাজন জাঙ্গল টাওয়ার্স’। আমাজন জঙ্গলের বুক চিরে বয়ে গেছে আমাজন নদী। এই নদীর অন্যতম শাখা নদী হলো এই রিও নিগ্রো। এই রিও নিগ্রো যেখানে আরিয়াউ খাঁড়িতে এসে ঢুকেছে, তার ঠিক কাছেই অবস্থিত আরিয়াউ টাওয়ার্স।

শিশু হাসল সাত মাস পর

জন্মের প্রায় সাত মাস পর প্রথমবার হাসির সুখ পেল এক শিশু। জন্মের সময় তার নাক ও ঠোট একসঙ্গে জটিলভাবে সংযুক্ত ছিল। ঠোটের উপরের অংশ টাও অসম্পূর্ণ ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড এর বালতিমোর এলাকায় রিলি জন্সন নামের এক শিশু জন্মের সময় তার ঠোটে একপ্রকার অপূর্ণতা নিয়ে জন্মে। মাতৃগর্ভে থাকাকালীন তার নাক, মুখ ও ঠোটের উপরের অংশ সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারেনি।কিন্তু গতমাসে সার্জারির মাধ্যমে শিশুটির মুখে হাসি ফুটানো হয়েছে। এখন সে ইংরেজি অক্ষর এম উচ্চারণ করতে পারছে। তার হাসি যেন এখন থামতেই চাইছে না। তার মা এঞ্জেলা বলেন, ওকে যখন সার্জারির পর প্রথম দেখি, একবারে পরীর মত লাগছিল। আমি ওকে পেয়ে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি। তার নাক-মুখ একত্রে থাকার ফলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হত তার। তাই তার মুখে একটা ডিভাইস লাগানো হয়, যা তার নাকের সাইজ ঠিক করতে সাহায্য করে। এই অপারেশনের আগে আরও অনেক পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছে। সারা মুখের অবয়ব পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা করা হয়েছে।এখন তার অনেক কষ্ট লাঘব হয়েছে। বাবুটা সারাক্ষণ হাসে, আর বারবার কথা বলার চেষ্টা করে। তার মুখের সমস্যা নিয়ে যা সমস্যা ছিল, তা দূর হয়েছে। এঞ্জেলা জানায়, মেয়েকে নিয়ে তার অনেক দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু অপারেশন এর পর সব ঠিক হয়ে গেছে। 

সবচেয়ে সুন্দর শহর ভিয়েনা

বসবাসের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর শহর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এ শহরে জীবনযাত্রার মানও সবচেয়ে ভালো। নিউ ইয়র্কভিত্তিক পরামর্শ প্রতিষ্ঠান মার্সারের সবচেয়ে সুন্দর শহরের তালিকায় এই নিয়ে পরপর আটবার শীর্ষস্থান ধরে রাখল ভিয়েনা। অন্যদিকে বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরের খেতাবটি পেয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ। আর ২৩১ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান ২১৪ নম্বরে। মার্সার ২৩১টি শহরের ওপর জরিপ চালিয়ে তালিকাটি করে। এটি করতে গিয়ে তারা রাজনৈতিক পরিবেশ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা, অপরাধের মাত্রা, পরিবহন পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ, খাবার পানি, ডাকব্যবস্থা ও বিনোদনের ব্যবস্থার ওপর জোর দেয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছরই এই জরিপ করে থাকে।

‘নাইনটিন্থ অ্যানুয়াল কোয়ালিটি অব লিভিং সার্ভে’ শীর্ষক তালিকায় বৈশ্বিক কেন্দ্র বলে পরিচিত লন্ডন, প্যারিস, টোকিও ও নিউ ইয়র্কের জায়গা শীর্ষ ৩০-এর মধ্যে হয়নি। এগুলো জার্মানি, স্ক্যান্ডিনেভিয় দেশ কিংবা কানাডার চেয়েও পিছিয়ে রয়েছে।ভিয়েনার জনসংখ্যা ১৮ লাখ। খাবার, পরিবহন থেকে শুরু করে থিয়েটার, জাদুঘর ও অপেরার সব জায়গায়ই দেশটিতে ব্যয় পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় কম। সুগঠিত নগর কাঠামো, নিরাপদ রাস্তাঘাট আর ভালো গণস্বাস্থ্যসেবা ভিয়েনাকে বসবাসের জন্য বিশ্বের সেরা শহরে পরিণত করে তুলেছে বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়। 

শীর্ষ সুন্দর ১০ শহরের তালিকায় ভিয়েনার পরে রয়েছে যথাক্রমে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ, নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড, জার্মানির মিউনিখ, কানাডার ভ্যানকুভার, জার্মানির ডুসেলডর্ফ, ফ্রাংকফুর্ট, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ও সুইজারল্যান্ডের ব্যাসেল।এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে এগিয়ে রয়েছে সিঙ্গাপুর। তালিকায় এটির ঠাঁই হয়েছে ২৫ নম্বরে। আবার ২৯ নম্বরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো। মার্কিন শহরগুলোর মধ্যে এটিই সেরা। আফ্রিকার সেরা শহর নির্বাচিত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান। তালিকায় এর অবস্থান ৮৭ নম্বরে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান তালিকার নিচের দিকে, ২১৪ নম্বরে। 

২০০৩ সালে মার্কিন আগ্রাসনের পর থেকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে সামপ্রদায়িক সহিংসতা বেড়ে চলেছে। মার্সারের বিবেচনায়, এ বছর শহরটি বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ বলে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ তালিকায় সর্বনিম্ন ২৩১ নম্বর অবস্থানে রয়েছে বাগদাদ। এ ছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক রয়েছে তালিকার নিচ থেকে সপ্তম স্থানে। এর মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের বাঙ্গুই, ইয়েমেনের রাজধানী সানা, হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স, সুদানের খার্তুম ও চাদের এনজামেনা রয়েছে তালিকার একেবারে নিচের দিকে। 

দৃষ্টিনন্দন কাঠের তৈরি মসজিদ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কাঠের তৈরি হস্তশিল্পসমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী ‘মমিন মসজিদ’। পুরো মসজিদটি নির্মাণে কাঠের কারুকাজ ও ক্যালিওগ্রাফি খচিত সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলোর সংযোগ স্থাপনেও লোহা বা তারকাটা ব্যবহার করা হয়নি। সৌন্দর্যবর্ধনে ব্যবহৃত হয়েছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক রঙ।১৯১৩ সালে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার বুড়িরচর গ্রামের অধিবাসী মমিন উদ্দিন আকন নিজ বাড়িতেই এ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ১৯২০ সালে এ মসজিদটির নির্মাণ কাজ সাত বছরে শেষ হয়। 
২১ জন সুদক্ষ কারিগরের নিরলস পরিশ্রমের ফসল কাঠশিল্পের অনন্য নিদর্শন মমিন মসজিদ। মসজিদটি ১৬ হাত দৈর্ঘ্য, ১২ হাত প্রস্থ এবং উচ্চতায় ১৫ হাত। চার পাশের বেড়া তিনটি অংশে বিভক্ত। যার উপর এবং নিচ কাঠের কারুকাজ দিয়ে তৈরি। দুই পাশ দিয়ে ডাবল বেড়া। ভেতরে একরকম আর বাইরে আরেক রকম। ভেতরের কারুকাজ করা বেড়া খুলে আলাদা করা যায়।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মসজিদ বাঁশ-টিন, ইট-বালি-সিমেন্টে তৈরি হলেও কাঠের তৈরি মসজিদ খুবই বিরল। যদিও এ ধরনের কাঠের তৈরি মসজিদ এক সময় ভারতের কাশ্মীরে ছিল বলে জানা যায়।বুড়িচর গ্রামের যুবক মমিন উদ্দিন আকন বাড়ি থেকে দূরের মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে কষ্ট হয় বিধায় একটি মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। তার ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন মসজিদ পরিদর্শনের মাধ্যমে কারুশিল্প ডিজাইন ও ক্যালিওগ্রাফি সম্পর্কে ধারণা নেন। 
সাদামাটা জীবন-যাপনে অভ্যস্ত মমিন উদ্দিন সাধারণ ঘরে বসবাস করে অনিন্দ্য সুন্দর দৃষ্টিনন্দন ক্যালিওগ্রাফি ও প্রাকৃতিক ফুল, ফল এবং গাছের আদলে মসজিদ নির্মাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন। মসজিদ নির্মাণের জন্য তিনি চট্টগ্রাম ও মিয়ানমার থেকে লোহা ও সেগুন কাঠ সংগ্রহ করেন। তৎকালীন সময়ে তিনি বরিশাল জেলার স্বরূপকাঠী থানা থেকে ২১ জন কারিগর নিয়োগ করেন। তার তত্ত্বাবধানে মসজিদের পুরো পরিকল্পনা, কারুকার্য, ক্যালিওগ্রাফি তৈরি করা হয়। মসজিদটির প্রবেশদ্বারে এবং মেহরাবে একটি করে ক্যালিওগ্রাফির নকশা বসানো হয়। 
বৃষ্টি, বন্যা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মসজিদটির রঙ ও স্থাপনার কিছু ক্ষতি হয়। মমিন উদ্দিন আকনের নাতি মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণের যথাযথ তদারকির জন্য পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করেন। ফলে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কাঠের তৈরি এ মসজিদটিকে পুরাকীর্তি ঘোষণা দিয়ে এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করে।প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সর্বশেষ ২০০৮ সালে মসজিদটি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে। 

Tuesday, March 7, 2017

২ ফিট ১১ ইঞ্চি লম্বা ৫১ বছর বয়সে

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা রোডে পিয়ারী মার্কেটে জমজম টেইলারিং হাউসে নিজের পোশাক তৈরীর জন্য বৃদ্ধ মায়ের সঙ্গে ২ ফিট ১১ ইঞ্চির শরীরে সাজুগুজু করে এসেছেন প্রতিবন্দি সৈয়দা বিথি খাতুন (৫১)। সৈয়দা বিথি খাতুনকে দেখতে তৎক্ষণাত সর্বস্তরের উৎসুক জনতা ভীর জমে যায়।জানা যায়, সাদুল্যাপুর উপজেলার ১১ নং খোদ্দকমরপুর ইউনিয়নের তরফজাহান গ্রামের লিকপাড়ার মৃত- সৈয়দ জয়নাল আবেদীন ও মাতা সৈয়দা জেবা আকতার ওরফে রুমি বেগমের কন্যা সৈয়দা বিথি খাতুন।সৈয়দা বিথি খাতুন ১১ নং খোদ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তালিকা ভুক্ত শাররিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্দি ভাতাভোগী। রোববার দুপুরে কথা হয় সৈয়দা বিথি খাতুন এর মা সৈয়দা জেবা খাতুনের সঙ্গে। তিনি জানান, তার কন্যা শুধু মাত্র প্রতিবন্দি ভাতা পান যা দিয়ে আমার কন্যার জীবন যাপনে হিমশিম খেতে হয়। আমি যতদিন বেচে আছি ততদিন চিন্তা করি না। কিন্তু আমার স্বামীর মতো আমি যেদিন চলে যাবো না ফেরার দেশে সেদিন আমার কন্যা কে কে দেখবে, ওর কপালে কি ঘটবে, ভেবে আমি আরো অসুস্থ হয়ে যাই। আমি ওর জন্য আপনাদের কাছে দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করছি। সৈয়দা বিথি খাতুন এর স্বাভাবিক জীবনযাপনের লক্ষ্যে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ দেশে ও জেলার বৃত্তশালী ব্যক্তিদের সহযোগীতা কামনা করেন। 

Sunday, March 5, 2017

৬৯তম সন্তানের জন্ম

মাত্র ৪০ বছর বয়সে ৬৯তম সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে মারা গেলেন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার এক নারী। জীবনে কোনও দিন জন্মনিরোধক ব্যবহার করেননি তিনি। ১৬ বার যমজ, সাত বার ট্রিপলেটস (এক সঙ্গে তিন সন্তান) এবং চার বার কোয়াড্রপলেটস (এক সঙ্গে চার সন্তান) জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস ও সমীক্ষা বলছে, তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সন্তান জন্মদানকারী নারী।তার আগে ৬৯টি সন্তানের জন্ম দেয়ার রেকর্ড ছিল ভাসিলায়েভা নামের এক রাশিয়ান নারীর। মৃত্যুর সেই রেকর্ড ছুঁয়ে গেলেন ফিলিস্তিনি এই নারী। 

এক সঙ্গে ১৬০ জুটির বিবাহ বিচ্ছেদ

চীনের পূর্বাঞ্চলের একটি গ্রামে একই সঙ্গে ১৬০ জুটি বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিয়াংসু প্রদেশের জিয়াংবেই গ্রামে উচ্চ প্রযুক্তির একটি উন্নয়ন এলাকা প্রতিষ্ঠার প্রকল্পের জন্য বাড়ি ধ্বংস করতে বাধ্য হওয়ার পর ক্ষতিপূরণ পেতে তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে।বিবাহ বিচ্ছেদ করে এককভাবে বাড়ি ধ্বংসের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তারা দুটি নতুন বাড়ি এবং আরও অন্তত ১৯ হাজার ডলার নগদ পাবে। চীনা ওই দম্পতিদের মধ্যে কারও কারও বয়স ৮০ বছরের ওপরে। তাদের বেশিরভাগই একসঙ্গে বাস করার পরিকল্পনা করেছে।এলাকাটিতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাস করে আসা পরিবারগুলো বাধ্য হয়েই স্থানীয় সরকারের দেওয়া নতুন হাউজিং এ সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। প্রতিটি দম্পতিই ২২ স্কয়ার মিটারের বাড়ি পাচ্ছে। কিন্তু ওই পরিবারগুলো হিসাব করে দেখেছে, তারা আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের পদক্ষেপ নিলে আরও ৭০ স্কয়ার মিটারের সম্পত্তি দাবি করাসহ নগদ অর্থও ক্ষতিপূরণ পাবে।একটি ল ফার্ম দম্পতিদের বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য ২ হাজার ডলারের বেশি অর্থ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে চায়না ডেইলি। দম্পতিদের প্রায় সবাই বিচ্ছেদের কিছুদিন পর পুনরায় বিয়ে করার পরিকল্পনা করেছে। পরবর্তীতে কি করা হবে সেটা তখনই দেখা যাবে, বলেন এক গ্রামবাসী।তবে দম্পতিরা আসলেই বাড়তি ক্ষতিপূরণ পাবেন কিনা তা স্পষ্ট জানা যায়নি। কর্মকর্তারা বলছেন, আইনের ফাঁকফোকর আছে সেটি তারা জানেন। তবে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি পরিবর্তন হবে কিনা তা জানেন না।