গিলে খাওয়ার পরও বেঁচে থাকে একজন মানুষ রূপকথার গল্পে এমনটা তো কতোই দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবে কি এটা সম্ভব? স্পেনের এক জেলে তিমির পেটে তিনদিন থাকার পরও দিব্যি বেঁচে আছেন। চমকে উঠলেন তো? লুইগি মার্কেজ নামের এই মানুষটি তিমির পেটে তিনদিন থেকে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে এসে চারদিকে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন। জীবিকার তাগিদে স্পেনের সমুদ্রে মাছ ধরেন লুইগি। ঘটনার দিনও তাই করছিলেন। আচমকা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়ে যান তিনি। ঝড় থামার পর তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না। কোস্টগার্ডরাও খুঁজে না পেয়ে হাল ছেড়ে দেন। তিনদিন পর দেখা মিললো লুইগির। তারপর তিনি যে বর্ণনা দিলেন তা সত্যিই চমকপ্রদ!লুইগির দাবি, সেদিন নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ার পর একটি তিমি গিলে ফেলে তাকে। ঝড়ের সময় কী হয়েছিল তা কিছুতেই মনে পড়ছে না লুইগির। শুধু যখন চেতনা ফিরে পান, তখন একটি অন্ধকার স্থানে নিজেকে দেখেন তিনি। আলো বলতে একমাত্র হাতের ওয়াটারপ্রুফ ঘড়ির আলো। সেই ঘড়ির মাধ্যমেই সময় মেলাতে থাকেন তিনি। তীব্র আতঙ্কে অস্থির হয়ে পড়েন লুইগি। তবে হাল ছাড়েননি। অবশেষে তিমিটি বমি করে বের করে দেয় লুইগিকে।
Tuesday, April 5, 2016
মাছের অজানা কথা
সবচেয়ে বিচিত্র ও অনন্য মেরুদণ্ডী প্রাণী হল মাছ। পানিতে বাস করা এই প্রাণীরা অনেক চটুল ও চিত্তাকর্ষক। এরা বিভিন্ন আকার আকৃতির ও বিভিন্ন বর্ণের হয়। এদের কিছু প্রজাতি পোষা প্রাণী হিসেবে ঘরে রাখা হয় এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাছ সম্পর্কিত কিছু অজানা তথ্য জেনে নেই চলুন।
১। মাছ পৃথিবীর প্রাচীনতম ইনহিবিটর। মাছ পৃথিবীতে আছে ৪৫০ মিলিয়ন বছর পূর্ব থেকে। পৃথিবীতে যখন ডায়নোসোর বিচরণ করতো তার বহু আগে থেকেই মাছের অস্তিত্ব ছিল।
২। পৃথিবীতে মাছের ২৫০০০ প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে। আরো ১৫০০০ প্রজাতি আছে যাদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
৩। মাছের প্রজাতি মধ্যে ৪০% মিঠা পানিতে বাস করে।
৪। বেশিরভাগ লিপস্টিক তৈরিতে মাছের আঁশ ব্যবহার করা হয়।
৫। মাছের সমস্ত শরীরেই স্বাদ কুঁড়ি বা টেস্ট বাড থাকে। তাই এরা মুখ ব্যবহার করা ছাড়াও স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।
৬। মাছেরা বিপরীত বর্ণবৈচিত্র্য যুক্ত। মাছকে পানির মধ্যে যেনো কম দেখা যায় এজন্যই এদের এই বৈশিষ্ট্য। এদের পৃষ্ঠ দিক গাঁড় বর্ণের হয়, পাশের দিক হালকা বা রুপালী বর্ণের হয় এবং পেটের দিক উজ্জ্বল হয়।
৭। উভচর, পাখি, সরিসুপ ও স্তন্যপায়ীর চেয়ে বেশি প্রজাতি মাছের। আনুমানিক ৩২০০০ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আছে।
৮। মাছেদের বিশেষায়িত অনুভূতি অঙ্গ আছে যাকে লেটেরাল লাইন বলে। এই অঙ্গটি রাডারের মত কাজ করে এবং অন্ধকার ও অস্পষ্ট পানিতেও সঠিক পথে যেতে সাহায্য করে।
৯। কিছু মাছ তাদের জীবনচক্রে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পারে।
১০। কিছু মাছের অনবরত সাঁতার কাটতে হয়। হাঙ্গর ও কিছু মাছের বায়ু থলি নেই। এজন্য এরা অনবরত সাঁতার কাটে অথবা পানির তলদেশে বিশ্রাম নেয়।
১১। মাছের চমৎকার স্পর্শ অনুভূতি, স্বাদ অনুভূতি ও দৃষ্টিশক্তি আছে। আবার কিছু মাছের শোনার ও গন্ধ শোঁকার ও অনুভূতি থাকে। স্তন্যপায়ী ও পাখিদের মতোই মাছেরাও ব্যথা ও স্ট্রেস অনুভব করে।
১২। এটা শুনে একটু আশ্চর্য হবেন যে মাছেরাও ডুবে মরতে পারে! যদি পানিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন দ্রবীভূত না থাকে তাহলে মাছ সত্যিই ডুবে মারা যেতে পারে।
১৩। বিশেষ ধরণের মাছ পাফার ফিশ এ এমন পরিমাণে বিষ থাকে যার দ্বারা ৩০ জন মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এই বিষ সায়ানাইডের চেয়ে ১২০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।
Monday, April 4, 2016
অদৃশ্য রেলগাড়ি
আপনার সামনে দিয়ে চলে যাবে রেলগাড়ি, কানে শব্দও শুনবেন অথচ দেখতে পাবেন না আপনি। যতই মনোযোগ গিয়ে তাকিয়ে থাকুন না কেন, দেখতে পাবেন না রেলগাড়িটি। এমন একটি রেলগাড়িই তৈরি করতে যাচ্ছে জাপান। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘অদৃশ্য’ রেলগাড়ি। রেলগাড়িটির প্রাথমিক নকশা তৈরি করেছে জাপানী প্রকৌশলী কাজুও সেজিমা। অনেকটা অর্ধ-স্বচ্ছ এবং এর উপরের দিকটা আয়নার মতো। রেলগাড়িটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এর বগিগুলো এমনভাবে তৈরি করা হবে যেন তা দেখতে একটি বসবাসের ঘরের মতো মনে হয় এবং যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আশা করা হচ্ছে, ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করবে জাপানের এই অদৃশ্য রেলগাড়ি। এটিতে সর্বাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্বের সেরা এবং দ্রুতগামী রেলগাড়ির মধ্যে এটি হবে অন্যতম।
Sunday, April 3, 2016
গাড়ি থেকে কম্পিউটার, কী পারে না কুমির!
জ্যাকেট পরে ঘরে ঘুমোয়, বাইকে চড়ে, রেস্তোরাঁয় যায় আবার মাঝেমধ্যে চেয়ারে বসে ল্যাপটপেও চোখ বোলায়। এর মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই তো! কিন্তু, এটাই যদি ৬ ফিট দৈর্ঘ্যের একটি কুমির করে? এমন অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন ফ্লোরিডার লেকল্যান্ডের বাসিন্দা ম্যারি থর্ন। কুকুর বা বিড়াল নয়, একটি কুমিরকেই পোষ্য বানিয়েছেন তিনি।র্যাম্বো। বয়স ১৫। জল ছেড়ে শুধু ডাঙায় নয়, একেবারে হয়ে উঠেছে ম্যারি থর্নের পরিবারের একজন সদস্য। থর্নের চোখে র্যাম্বো এখন আর কুমির নয়, মানুষেরই মতো।
তার এই পোষ্যকে সঙ্গে রাখতে সাহায্য করার জন্য বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। কারণ, কয়েকদিন আগে থর্নকে কুমিরটির জন্য নতুন বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে বলেছে ফ্লোরিডা ওয়াইল্ডলাইফ কমিশন। এই ছোটো কুমিরটিরই দৈর্ঘ্য একসময় ১১ ফিট পর্যন্ত যেতে পারে। অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে ওজন।
কিন্তু, র্যাম্বোকে কাছছাড়া করতে চান না থর্ন। তবে তার কাছে আরও তিনটি কুমির ছিল। পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে এর মধ্যে তিনটিরই মৃত্যু হয়। একমাত্র বেঁচে যায় র্যাম্বো।
তারপর থেকেই পরিবারের এক সদস্য হিসেবেই তাকে ‘মানুষ’ করেছেন থর্ন। প্রশিক্ষণও দিয়েছেন সেইমতোই। ফলে বাড়িতে কোনও অতিথি এলে বিরক্ত না করে নিজের মতোই থাকে র্যাম্বো। শিশুদেরও সে যথেষ্ট ভালোবাসে বলে জানিয়েছেন থর্ন।
Wednesday, March 30, 2016
মৃত আত্মীয়দের সাথে বাস
পৃথিবীর বেশীরভাগ সংস্কৃতিতে ধরে নেওয়া হয় মৃত্যু একজন মানুষকে কেড়ে নেয় তার আত্মীয় এবং বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার তোরাজান গোত্রের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা। মৃত্যুর পরেও তারা দিনের পর দিন সযত্নে আগলে রাখে প্রিয়জনের মৃতদেহ। কিন্তু কেন? গা ছমছমে এই সংস্কৃতির কথা পড়ুন আজকের এই ফিচারে।ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে বাস করে এই তোরাজান মানুষেরা। মৃত্যুকে তারা খুব অদ্ভুতভাবে বিচার করে। মৃত্যুর পর সপ্তাহ, মাস এমনকি বছর ধরে তারা একটি মানুষের মৃতদেহকে রেখে দেয় পরিবারের সাথেই। রীতিটিকে বলা হয় রাম্বু সোলোক। যতদিন না পরিবারের মানুষ সমাধিস্থ করার মতো টাকা জোগাড় করতে পারে, ততদিন মৃত মানুষটি বাড়িতে থেকে যায়। এই সময়টায় তাকে মৃত নয় বরং অসুস্থ বলেই ধরা হয়।
৩ বছর বয়সী সিয়ারিনি তানিয়া তিরান্দা মারা গেছে একদিন আগে। কিন্তু তার আপন ও মাসতুতো-পিসতুতো বোনের এখনো তাকে আগলে রেখেছে। তাদের কাছে মেয়েটি মৃত নয়, বরং তো মাকুলা, বা অসুস্থ মানুষ।এই প্রক্রিয়ার মাঝে সেই মৃত মানুষটির জন্য প্রার্থনা করা হয়, এমনকি তাকে খাবারও দেওয়া হয়। কিছু সময়ের পর তাদেরকে সমাধিস্থ করানো হয় বটে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদেরকে দ্বিতীয়বার সমাধিস্থ করা হয়, যে অনুষ্ঠানকে বলা হয় মা’নেনে’। এই সময়ে পরিবার এই মৃত মানুষের শরীর পরিষ্কার করে, তাদেরকে নতুন পোশাক পরায় এমনকি তাদেরকে নিয়ে হেঁটে বেড়ায় এলাকাজুড়ে।
ডেবোরা মাওপা'র মৃতদেহ পরীক্ষা করছেন তার আত্মীয়েরা। ২০০৯ সালে ৭৩ বছর বয়সে মারা গেছিলেন তিনি। তোরাজান মানুষেরা বিশ্বাস করে, পানি ও ফর্মালডিহাইডের ব্যবহারে ভালোয়াবে সংরক্ষিত একটি মরদেহ পরিবারের সৌভাগ্য বয়ে আনে।তোরাজানের অনেক পরিবারের মানুষ দেশের অন্য জায়গায় থাকে। এই অনুষ্ঠানের সময়ে পুরো পরিবার একত্রিত হয়। এই ব্যাপারটাকে উৎসবের মতো করেই দেখে তারা। এই সময়ে বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্টরা এখানে আসে। কোনো পরিবারের এই অনুষ্ঠানে যদি ট্যুরিস্ট উপস্থিত থাকে তাহলে তারা নিজেদেরকে সম্মানিতই মনে করে।
২০১১ সালে মৃত ক্রিস্টিনা বান এর মৃতদেহ তুলে ধরেছে তার ছেলে, বার্তোলোমিউ বুঙ্গা। আর সামনে দাঁড়িয়ে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছে ক্রিস্টিনার নাতি, জেরি পুত্রা বুঙ্গা।অদ্ভুত হলেও সত্যি, পাগান ধাঁচের এই অনুষ্ঠানের মাঝে আবার খ্রিষ্টের প্রার্থনা এবং বাইবেলের কথা আওড়ানো হয়। ইন্দোনেশিয়ার বেশীরভাগ অঞ্চলে মুসলিমদের প্রাধান্য থাকলেও ১৬শ শতক থেকে তোরাজান সংস্কৃতির মাঝে জড়িয়ে আছে খ্রিষ্টধর্মের প্রভাব। এর পেছনে ডাচ মিশনারিদের অবদান আছে বলে ধরা হয়।তোরাজানদের এই রীতি কতদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ এদের এই সংস্কৃতি মূলত মানুষের মুখে মুখে বংশ থেকে বংশে সঞ্চারিত হয়। তবে প্রত্নতত্ত্ববিদেরা একটি প্রাচীন তোরাজান কফিনের অংশ নিয়ে কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় দেখেন, তা এতোই পুরনো যে হাজার বছর ধরে এই রীতি পালন হয়ে আসাটাও বিচিত্র নয়।তোরাজান মানুষেরা এই ব্যাপারে গুরু মানে পেট্রাস কামবুনো নামের এক বয়োবৃদ্ধকে। তিনি দাবি করেন তার বয়স ৯০। অনেকটা আদম ও ইভের থেকে পৃথিবীর মানুষ সৃষ্টি হবার মতোই এক গল্প পাওয়া যায় তার মুখে। তোরাজান বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষ মারা যাবার পরেও তার সাথে পরিবারের সম্পর্ক ছিন্ন হয় না। জীবনের বিশাল ক্যানভাসে মৃত্যু মানে হলো একটা ছোট্ট ফোঁড় খুলে যাওয়া, আর কিছুই নয়। এভাবেই একজন পূর্বপুরুষের বদলে আসে একজন উত্তরপুরুষ, আর চলতে থাকে জীবন মৃত্যুর চক্র।
৩ বছর বয়সী সিয়ারিনি তানিয়া তিরান্দা মারা গেছে একদিন আগে। কিন্তু তার আপন ও মাসতুতো-পিসতুতো বোনের এখনো তাকে আগলে রেখেছে। তাদের কাছে মেয়েটি মৃত নয়, বরং তো মাকুলা, বা অসুস্থ মানুষ।এই প্রক্রিয়ার মাঝে সেই মৃত মানুষটির জন্য প্রার্থনা করা হয়, এমনকি তাকে খাবারও দেওয়া হয়। কিছু সময়ের পর তাদেরকে সমাধিস্থ করানো হয় বটে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদেরকে দ্বিতীয়বার সমাধিস্থ করা হয়, যে অনুষ্ঠানকে বলা হয় মা’নেনে’। এই সময়ে পরিবার এই মৃত মানুষের শরীর পরিষ্কার করে, তাদেরকে নতুন পোশাক পরায় এমনকি তাদেরকে নিয়ে হেঁটে বেড়ায় এলাকাজুড়ে।
ডেবোরা মাওপা'র মৃতদেহ পরীক্ষা করছেন তার আত্মীয়েরা। ২০০৯ সালে ৭৩ বছর বয়সে মারা গেছিলেন তিনি। তোরাজান মানুষেরা বিশ্বাস করে, পানি ও ফর্মালডিহাইডের ব্যবহারে ভালোয়াবে সংরক্ষিত একটি মরদেহ পরিবারের সৌভাগ্য বয়ে আনে।তোরাজানের অনেক পরিবারের মানুষ দেশের অন্য জায়গায় থাকে। এই অনুষ্ঠানের সময়ে পুরো পরিবার একত্রিত হয়। এই ব্যাপারটাকে উৎসবের মতো করেই দেখে তারা। এই সময়ে বিভিন্ন দেশের ট্যুরিস্টরা এখানে আসে। কোনো পরিবারের এই অনুষ্ঠানে যদি ট্যুরিস্ট উপস্থিত থাকে তাহলে তারা নিজেদেরকে সম্মানিতই মনে করে।
২০১১ সালে মৃত ক্রিস্টিনা বান এর মৃতদেহ তুলে ধরেছে তার ছেলে, বার্তোলোমিউ বুঙ্গা। আর সামনে দাঁড়িয়ে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছে ক্রিস্টিনার নাতি, জেরি পুত্রা বুঙ্গা।অদ্ভুত হলেও সত্যি, পাগান ধাঁচের এই অনুষ্ঠানের মাঝে আবার খ্রিষ্টের প্রার্থনা এবং বাইবেলের কথা আওড়ানো হয়। ইন্দোনেশিয়ার বেশীরভাগ অঞ্চলে মুসলিমদের প্রাধান্য থাকলেও ১৬শ শতক থেকে তোরাজান সংস্কৃতির মাঝে জড়িয়ে আছে খ্রিষ্টধর্মের প্রভাব। এর পেছনে ডাচ মিশনারিদের অবদান আছে বলে ধরা হয়।তোরাজানদের এই রীতি কতদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ এদের এই সংস্কৃতি মূলত মানুষের মুখে মুখে বংশ থেকে বংশে সঞ্চারিত হয়। তবে প্রত্নতত্ত্ববিদেরা একটি প্রাচীন তোরাজান কফিনের অংশ নিয়ে কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়ায় দেখেন, তা এতোই পুরনো যে হাজার বছর ধরে এই রীতি পালন হয়ে আসাটাও বিচিত্র নয়।তোরাজান মানুষেরা এই ব্যাপারে গুরু মানে পেট্রাস কামবুনো নামের এক বয়োবৃদ্ধকে। তিনি দাবি করেন তার বয়স ৯০। অনেকটা আদম ও ইভের থেকে পৃথিবীর মানুষ সৃষ্টি হবার মতোই এক গল্প পাওয়া যায় তার মুখে। তোরাজান বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষ মারা যাবার পরেও তার সাথে পরিবারের সম্পর্ক ছিন্ন হয় না। জীবনের বিশাল ক্যানভাসে মৃত্যু মানে হলো একটা ছোট্ট ফোঁড় খুলে যাওয়া, আর কিছুই নয়। এভাবেই একজন পূর্বপুরুষের বদলে আসে একজন উত্তরপুরুষ, আর চলতে থাকে জীবন মৃত্যুর চক্র।
সবচেয়ে লম্বা চুল!
বেণী বাঁধা ৫৫ ফুট লম্বা চুল! দোতলা থেকে একতলায় ঝুলছে! নারীর নাম আশা ম্যান্ডেলা। আর তার এই চুলের টানেই কিনা ধরা দিলেন হেয়ারড্রেসার স্বামী এম্যানুয়েল!
আশা ম্যান্ডেলাকে সবাই কাছে রাস্তা রাপুনজেল নামে পরিচিত। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোয় জন্ম নেওয়া আশা এখন আমেরিকান নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। অনলাইন তার চুলের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এম্যানুয়েল চেগ। পেশায় হেয়ারড্রেসার। চুলের টানেই তিনি আশার কাছে ধরা দেন।
নিজের হাতেই এম্যানুয়েল আশার চুলের পরিচর্যা করেন। কিন্তু, এত লম্বা চুলের পরিচর্যা কি আর যেমন তেমন করে করলে হয়? পাক্কা দু'দিন লাগে চুল ধুয়ে শুকাতে। ইতিমধ্যেই গিনেস বুকে নাম উঠেছে রাস্তা রাপুনজেলের। স্ত্রীর চুলের ‘গর্বে গর্বিত’ স্বামী এম্যানুয়েলও।
আশা ম্যান্ডেলাকে সবাই কাছে রাস্তা রাপুনজেল নামে পরিচিত। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোয় জন্ম নেওয়া আশা এখন আমেরিকান নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। অনলাইন তার চুলের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এম্যানুয়েল চেগ। পেশায় হেয়ারড্রেসার। চুলের টানেই তিনি আশার কাছে ধরা দেন।
নিজের হাতেই এম্যানুয়েল আশার চুলের পরিচর্যা করেন। কিন্তু, এত লম্বা চুলের পরিচর্যা কি আর যেমন তেমন করে করলে হয়? পাক্কা দু'দিন লাগে চুল ধুয়ে শুকাতে। ইতিমধ্যেই গিনেস বুকে নাম উঠেছে রাস্তা রাপুনজেলের। স্ত্রীর চুলের ‘গর্বে গর্বিত’ স্বামী এম্যানুয়েলও।
Monday, March 28, 2016
পৃথিবীর সেরা ১২ টি অদ্ভুত বাড়ি!
সারা পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দেখতে অদ্ভুত বাড়ি সমূহ তুলে আনা হয়েছে আমাদের এই প্রতিবেদনে। চলুন দেখা নেয়া যাক অদ্ভুত স্থাপত্য শিল্পের নমুনা বহন করে বেড়ানো এসব বাড়ি। মানুষ সব সময় তাঁর মনের আকাঙ্খা কিংবা ইচ্ছাকেই নিজের আবাস স্থলে ফুটিয়ে তুলতে চায়। যার যেমন রুচি সে চায় তাঁর রুচির সাথে মিল রেখেই সেরকম একটি বাড়ি সমর্থের মাঝে থেকে তৈরি করতে। অনেকেই সে ভাবেই নিজ নিজ বাড়ির ডিজাইন করেন এবং তা তৈরিও করেন। এসব বাড়ি এতই বিচিত্র যে সারা বিশ্বে এদের পরিচিতি পেতে সময় লাগেনা। অনেকেই দেশ বিদেশ থেকে দেখতে আসেন এসব বিচিত্র বাড়ি।
চলুন একে একে দেখে নিই অদ্ভুত সব বাড়িঃ
১) নাম মাইন্ড হাউজ, স্পেনের বার্সেলোনায় অবস্থিত।
২) নাম ক্রকড হাউজ, এটি পোল্যান্ডে অবস্থিত।
৩) নাম স্টোন হাউজ, এটি পর্তুগালে অবস্থিত।
৪) গুম্বুজের মত দেখতে এই বাড়ির নাম La Pedrera এটি স্পেনের বার্সেলোনায় অবস্থিত।
৫) এর নাম Museum of Contemporary Art এটি ব্রাজিলের রাজধানীতে অবস্থিত।
৬) এর নাম Low impact woodland house, এটি ইংল্যান্ডের ওয়েলসে অবস্থিত।
৭) Nautilus House নামের এই শামুক আকৃতির ঘোর মেক্সিকো শহরে অবস্থিত।
৮) Conch Shell House নামের এই বাড়িটি মেক্সিকো তে অবস্থিত।
৯) House Attack নামের এই বাড়িটি অবস্থিত অস্ট্রিয়াতে।
১০) এটি হচ্ছে ফ্রান্সে অবস্থিত Ideal Palace
১১) এটি আমেরিকার Wonderworks
১২) The Basket Building নামের এই ভবন আমেরিকার ওহীও অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত।
Subscribe to:
Posts (Atom)


























