আজব পৃথিবী

Thursday, April 7, 2016

ভয়ঙ্কর সুন্দর’ বাড়ি

এমনিতে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলেন আর শিল্পসাধনায় বলেন, মানুষ কোনো কোনো সময় নিজের মধ্যে থাকতে ভালোবাসেন। মাঝে মধ্যে একদিন দুদিনের জন্য হয়তো সমুদ্রের পাড়ে বেড়ানোর নাম করে এমন বাড়িতে বা সুনসান কোনো রেস্ট হাউসে কেউ কেউ থাকেন না, তাও নয়।তবে তারপেই আবার ফেরেন নগর জীবনে। বাড়ি থেকে বেরোলেই সড়ক, সড়কের ওপর বাস, পাশেই শপিংমল। কিন্তু সারা জীবনটাই যদি ওই গেস্ট হাউসের মতো কোনো বাড়িতে একাকী কাটাতে হয়? একঘেয়েমি লাগবে কি?
কেউ কেউ হয়তো একাকী সময় নিজের জগতে ডুবে গিয়ে কল্পনা করেন এমনটা। কেমন হতে পারে একাকি জগতের বাড়িগুলো? দেখে নিন কয়েকটি ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’ বাড়ি।
কাতশিক পিলার-ইমেরেতি, জর্জিয়া: ১৩-০ ফুট উঁচু পিলারের উপর অবস্থিত এই বাড়ি।
লুকা ভুরেইচ হাট: আল্পস পর্বতের ফরোনন বুইনজের উপর এই ছোট্ট কুঁড়েঘর।
দ্য ক্রিস্টাল মিল-ক্রিস্টাল কলরডো, মার্কিন যক্তরাষ্ট্র: ১৮৯০ সালে কলরডো নদীর উপর তৈরি হয়েছিল এই পাওয়ার প্লান্ট। 
কাসা দো পেনেগো-ফাপে পাহাড়, পর্তুগাল: ১৯৭৪ সালে চারটি পাথর দিয়ে তৈরি হয়েছিল এই বাড়ি।
ভেস্তম্যানিয়েখার আর্কিপেলাগো: আইসল্যান্ডের এই বাড়ি বিশ্বের সবচেয়ে দুর্গম বাড়ি হিসেবে পরিচিত।
মেটেরোয়া-থেলসে, গ্রিস: আকাশে ঝুলন্ত এই পাহাড়ের কোলের বাড়িগুলোয় কি সত্যিই কেউ থাকেন?
চেজ প্যাভিলিয়ন-মাউন্ট হুয়া, চায়না: বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ উচ্চতার এই পাহাড়ের কোলে কে থাকেন?
হাউজ অন দ্য রিভার: সার্বিয়ার দ্রিনা নদীর উপর এই বাড়ি।
ত্রিস্তান দা কুনহা-ত্রিস্তান, আটলান্টিক সমুদ্র: পাহাড়ের কোলে বাড়িগুলো দেখতে পাচ্ছেন? ২০১৪ সালে এই ২৯৭ জন থাকতেন এই আইল্যান্ডে
ম্যাকমুর্ডো স্টেশন, অ্যান্টার্কটিকা: সাদা বরফে ঢাকা পাহাড়ের কোলে রঙিন বাড়িগুলো দেখতে পাচ্ছেন? গ্রীষ্ককালে প্রায় ১,২০০ মানুষ আশ্রয় নেন এখানে।

বিশ্বের যে দেশে সেনাবাহিনী নেই

আমেরিকান সামোয়া: জনসংখ্যা মোটে ৫৫ হাজার ৫১৯। দেশ তো কোন ছাড়। আমাদের কলকাতার তুলনাতেও নেহাতই পুঁচকে সে। এই দেশের কাছে রয়েছে ছোট্ট একটি পুলিশ বাহিনী আর কোস্টাল ফোর্স।
মার্শাল আইল্যান্ড: সেনাবাহিনীর দরকার পড়ে না এই দেশেরও। জনসংখ্যা ৫৬,০৮৬। পুলিশ বাহিনী, সমুদ্রতট সুরক্ষা বাহিনী, অভ্যন্তরীন সুরক্ষা বাহিনী থাকলেও সেনাবাহিনী নেই এদের।
আন্দোরা: ৭৬ হাজার ছেলেপুলের দেশ আন্দোরায় পুলিশ ফোর্স আছে ঠিকই কিন্তু চোর-ডাকাত, খুনি-বদমাস ধরার প্রয়োজন পড়ে না তাঁদের। বরং তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন পর্যটকদের আতিথেয়তায়।
ফেডারেন্টেড স্টেটস অফ মাইক্রোনেশিয়া: এক লাখের একটু বেশি মানুষ বাস করেন এই দেশে। সুখী, শান্ত এই দেশেরও সেনাবাহিনী নেই। চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এঁরা আমেরিকার সেনা ব্যবহার করতে পারবে।
গ্রেনাডা: ১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ থাকেন ছবির মতো সুন্দর এই দেশে। সেনাবাহিনী নেই এখানেও। যদিও দেশের ভিতরের সুরক্ষার জন্য রয়েছে রয়্যাল গ্রেনাডা পুলিশ ফোর্স। আর আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য ক্যারাবিয়ান রিজিওনাল সিকিওরিটি সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে এরা।
কিরিবাতি: যদিও দরকারে এরা অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বাহিনী ব্যবহার করতে পারে কিন্তু নিজেদের কোনও সেনাবাহিনী নেই দেড় লাখ জনবসতির দেশ কিরিবাতির কাছে।
সেন্ট লুসিয়া: ১ লাখ ৮৫ হাজার জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ১১৬ জনের একটি সুরক্ষা দফতর রয়েছে এই দেশের কাছে। তবে তার মধ্যে মোটেও নেই কোনও সেনাবাহিনীর বুটের আওয়াজ।
সোলোমন আইল্যান্ড: সেনাবাহিনী রাখার প্রয়োজন বোধ করে না এই দেশও। ৫ লাখের একটু বেশি সন্তান-সন্ততি নিয়ে সুখে আছে সোলোমন।
কোস্টা রিকা: ৪ লাখ ৭১ হাজার জনগণের এই দেশ। সেনাবাহিনী ছাড়াও বেশ খোশ মোজাজে রয়েছে কোস্টা রিকা।

Wednesday, April 6, 2016

কুকুর পেল সর্বোচ্চ সেনা পদক

লুক্কা নামের ১২ বছর বয়সী জার্মানের এক কুকুর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন কোপের হয়ে ছয় বছর দেশের কাজে সেবা করেছেন। কিন্তু দেশ সেবায় নিয়োজিত এই কুকুর আফগানিস্তানে রাস্তার পাশের এক বোমা হামলার কারণে নিজের পা হারিয়ে ফেলেন।লুক্কা ৬৭তম প্রাণী যে এই পদক পেয়েছেন। ১৯৪৩ সাল থেকে এই পদক দেয়ার প্রথা চলে আসছে। লুক্কা যখন যেখানে বোমা খুজতে গিয়েছেন সে সফল হয়েছে। তিনি কর্মরত অবস্থায় তার আশেপাশের কোন মানুষের বোমার কারণে ক্ষতি হয় নি। ২০১২ সালে লুক্কার পা হারানোর পর বুকে অনেক ব্যথা শুরু হয়। তারপর থেকে তাকে চাকরি থেকে অবসর দেয়া হয়।লুক্কার মালিক ক্রিস উইলিংহাম লুক্কার সাথে লন্ডনে যেয়ে এই পদক গ্রহণ করেন। ক্রিস বলেন, ‘লুক্কা অনেক বুদ্ধিমান, অনুগত এবং একটি অনুসন্ধান কুকুর হিসাবে আশ্চর্যজনক ড্রাইভ ছিল। তার কারণে আমি আজ আমার পরিবারের সাথে জীবিত বাস করছি। আমি তার সাথে থাকতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। আমি তার অবসরে খুব ভালভাবে রাখতে চাই।’লুক্কা এবং ক্রিস একসাথে ইরাকে অনেক অভিযান চালিয়েছেন। ২০১১ সালে তাদের আফগানিস্তানে ট্রান্সফার করা হয়। আফগানিস্তানে তারা ৭৫ বার টহল করে বোমা আবিষ্কার করেন। কিন্তু ২০১২ সালে সেই বোমার আঘাতে লুক্কার এক পা হারায়।

Tuesday, April 5, 2016

তিনদিন তিমির পেটে

গিলে খাওয়ার পরও বেঁচে থাকে একজন মানুষ রূপকথার গল্পে এমনটা তো কতোই দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবে কি এটা সম্ভব? স্পেনের এক জেলে তিমির পেটে তিনদিন থাকার পরও দিব্যি বেঁচে আছেন। চমকে উঠলেন তো? লুইগি মার্কেজ নামের এই মানুষটি তিমির পেটে তিনদিন থেকে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে এসে চারদিকে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন। জীবিকার তাগিদে স্পেনের সমুদ্রে মাছ ধরেন লুইগি। ঘটনার দিনও তাই করছিলেন। আচমকা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়ে যান তিনি। ঝড় থামার পর তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না। কোস্টগার্ডরাও খুঁজে না পেয়ে হাল ছেড়ে দেন। তিনদিন পর দেখা মিললো লুইগির। তারপর তিনি যে বর্ণনা দিলেন তা সত্যিই চমকপ্রদ!লুইগির দাবি, সেদিন নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ার পর একটি তিমি গিলে ফেলে তাকে। ঝড়ের সময় কী হয়েছিল তা কিছুতেই মনে পড়ছে না লুইগির। শুধু যখন চেতনা ফিরে পান, তখন একটি অন্ধকার স্থানে নিজেকে দেখেন তিনি। আলো বলতে একমাত্র হাতের ওয়াটারপ্রুফ ঘড়ির আলো। সেই ঘড়ির মাধ্যমেই সময় মেলাতে থাকেন তিনি। তীব্র আতঙ্কে অস্থির হয়ে পড়েন লুইগি। তবে হাল ছাড়েননি। অবশেষে তিমিটি বমি করে বের করে দেয় লুইগিকে। 

মাছের অজানা কথা

সবচেয়ে বিচিত্র ও অনন্য মেরুদণ্ডী প্রাণী হল মাছ। পানিতে বাস করা এই প্রাণীরা অনেক চটুল ও চিত্তাকর্ষক। এরা বিভিন্ন আকার আকৃতির ও বিভিন্ন বর্ণের হয়। এদের কিছু প্রজাতি পোষা প্রাণী হিসেবে ঘরে রাখা হয় এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাছ সম্পর্কিত কিছু অজানা তথ্য জেনে নেই চলুন।
১। মাছ পৃথিবীর প্রাচীনতম ইনহিবিটর। মাছ পৃথিবীতে আছে ৪৫০ মিলিয়ন বছর পূর্ব থেকে। পৃথিবীতে যখন ডায়নোসোর বিচরণ করতো তার বহু আগে থেকেই মাছের অস্তিত্ব ছিল।
২। পৃথিবীতে মাছের ২৫০০০ প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে। আরো ১৫০০০ প্রজাতি আছে যাদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
৩। মাছের প্রজাতি মধ্যে ৪০% মিঠা পানিতে বাস করে।
৪। বেশিরভাগ লিপস্টিক তৈরিতে মাছের আঁশ ব্যবহার করা হয়।
৫। মাছের সমস্ত শরীরেই স্বাদ কুঁড়ি বা টেস্ট বাড থাকে। তাই এরা মুখ ব্যবহার করা ছাড়াও স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।
৬। মাছেরা বিপরীত বর্ণবৈচিত্র্য যুক্ত। মাছকে পানির মধ্যে যেনো কম দেখা যায় এজন্যই এদের এই বৈশিষ্ট্য। এদের পৃষ্ঠ দিক গাঁড় বর্ণের হয়, পাশের দিক হালকা বা রুপালী বর্ণের হয় এবং পেটের দিক উজ্জ্বল হয়।
৭। উভচর, পাখি, সরিসুপ ও স্তন্যপায়ীর চেয়ে বেশি প্রজাতি মাছের। আনুমানিক ৩২০০০ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আছে।
৮। মাছেদের বিশেষায়িত অনুভূতি অঙ্গ আছে যাকে লেটেরাল লাইন বলে। এই অঙ্গটি রাডারের মত কাজ করে এবং অন্ধকার ও অস্পষ্ট পানিতেও সঠিক পথে যেতে সাহায্য করে।
৯। কিছু মাছ তাদের জীবনচক্রে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পারে।
১০। কিছু মাছের অনবরত সাঁতার কাটতে হয়। হাঙ্গর ও কিছু মাছের বায়ু থলি নেই। এজন্য এরা অনবরত সাঁতার কাটে অথবা পানির তলদেশে বিশ্রাম নেয়।
১১। মাছের চমৎকার স্পর্শ অনুভূতি, স্বাদ অনুভূতি ও দৃষ্টিশক্তি আছে। আবার কিছু মাছের শোনার ও গন্ধ শোঁকার ও অনুভূতি থাকে। স্তন্যপায়ী ও পাখিদের মতোই মাছেরাও ব্যথা ও স্ট্রেস অনুভব করে।
১২। এটা শুনে একটু আশ্চর্য হবেন যে মাছেরাও ডুবে মরতে পারে! যদি পানিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন দ্রবীভূত না থাকে তাহলে মাছ সত্যিই ডুবে মারা যেতে পারে।
১৩। বিশেষ ধরণের মাছ পাফার ফিশ এ এমন পরিমাণে বিষ থাকে যার দ্বারা ৩০ জন মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এই বিষ সায়ানাইডের চেয়ে ১২০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। 

Monday, April 4, 2016

অদৃশ্য রেলগাড়ি

আপনার সামনে দিয়ে চলে যাবে রেলগাড়ি, কানে শব্দও শুনবেন অথচ দেখতে পাবেন না আপনি। যতই মনোযোগ গিয়ে তাকিয়ে থাকুন না কেন, দেখতে পাবেন না রেলগাড়িটি। এমন একটি রেলগাড়িই তৈরি করতে যাচ্ছে জাপান। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘অদৃশ্য’ রেলগাড়ি। রেলগাড়িটির প্রাথমিক নকশা তৈরি করেছে জাপানী প্রকৌশলী কাজুও সেজিমা। অনেকটা অর্ধ-স্বচ্ছ এবং এর উপরের দিকটা আয়নার মতো। রেলগাড়িটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এর বগিগুলো এমনভাবে তৈরি করা হবে যেন তা দেখতে একটি বসবাসের ঘরের মতো মনে হয় এবং যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আশা করা হচ্ছে, ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করবে জাপানের এই অদৃশ্য রেলগাড়ি। এটিতে সর্বাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্বের সেরা এবং দ্রুতগামী রেলগাড়ির মধ্যে এটি হবে অন্যতম।

Sunday, April 3, 2016

গাড়ি থেকে কম্পিউটার, কী পারে না কুমির!

জ্যাকেট পরে ঘরে ঘুমোয়, বাইকে চড়ে, রেস্তোরাঁয় যায় আবার মাঝেমধ্যে চেয়ারে বসে ল্যাপটপেও চোখ বোলায়। এর মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই তো! কিন্তু, এটাই যদি ৬ ফিট দৈর্ঘ্যের একটি কুমির করে? এমন অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন ফ্লোরিডার লেকল্যান্ডের বাসিন্দা ম্যারি থর্ন। কুকুর বা বিড়াল নয়, একটি কুমিরকেই পোষ্য বানিয়েছেন তিনি।র‍্যাম্বো। বয়স ১৫। জল ছেড়ে শুধু ডাঙায় নয়, একেবারে হয়ে উঠেছে ম্যারি থর্নের পরিবারের একজন সদস্য। থর্নের চোখে র‍্যাম্বো এখন আর কুমির নয়, মানুষেরই মতো।
তার এই পোষ্যকে সঙ্গে রাখতে সাহায্য করার জন্য বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। কারণ, কয়েকদিন আগে থর্নকে কুমিরটির জন্য নতুন বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে বলেছে ফ্লোরিডা ওয়াইল্ডলাইফ কমিশন। এই ছোটো কুমিরটিরই দৈর্ঘ্য একসময় ১১ ফিট পর্যন্ত যেতে পারে। অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে ওজন।
কিন্তু, র‍্যাম্বোকে কাছছাড়া করতে চান না থর্ন। তবে তার কাছে আরও তিনটি কুমির ছিল। পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে এর মধ্যে তিনটিরই মৃত্যু হয়। একমাত্র বেঁচে যায় র‍্যাম্বো।
তারপর থেকেই পরিবারের এক সদস্য হিসেবেই তাকে ‘মানুষ’ করেছেন থর্ন। প্রশিক্ষণও দিয়েছেন সেইমতোই। ফলে বাড়িতে কোনও অতিথি এলে বিরক্ত না করে নিজের মতোই থাকে র‍্যাম্বো। শিশুদেরও সে যথেষ্ট ভালোবাসে বলে জানিয়েছেন থর্ন।